খবর লাইভ : নির্বাচন পরবর্তী হিংসা। এখনও পর্যন্ত মারা গেছেন ১৪ জন। এরমধ্যে বিজেপির ৯ জন, তৃণমূলের ৪ জন আর একজন মারা গেছেন আইএসএফের কর্মী। পরিস্থিতি কীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, তা নিয়ে কালীঘাটে নিজের বাড়িতে বৈঠক করলেন রাজ্যের ভারপ্রাপ্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই অবস্থায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে প্রশাসনকে সক্রিয় করার জন্য উদ্যোগী হয়েছেন তিনি।
এদিন বিকেল পাঁচটা নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বাসভবনে ডাকেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়, স্বরাষ্ট্রসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী, ডিজি নীরজ নয়ন এবং কলকাতার পুলিশ সুপার সৌমেন মিত্রকে। প্রায় ৪৫ মিনিট তাঁদের মধ্যে কথা হয়। জেলার যে যে জায়গা থেকে হিংসার খবর এসেছে, সেই থানাগুলোকে বাড়তি ফোর্স দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। দল-রং না দেখে, যারা দোষী তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। পাশাপাশি রাজ্যে হিংসাকে যে কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না, তা জানিয়ে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র দফতরকে। এর পাশাপাশি রাজ্যে ক্রমবর্ধমান করোনা পরিস্থিতি নিয়েও ভাবী মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে খবর বলে খবর।
ইতিমধ্যেই মমতা রাজ্যবাসীকে রাজধর্ম পালনের কথা বলেছেন। শান্তি বজায় রাখারও আর্জি জানিয়েছেন। আজ সারলেন গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। রাজ্যজুড়ে হিংসাকে যে কোনও মতেই বরদাস্ত করা হবে না, এদিনের বৈঠক তারই ইঙ্গিত বহন করল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।




