খবর লাইভ : ভোটের ফল প্রকাশিত। তারপর এখনও রাজনৈতিক হটস্পট নন্দীগ্রাম। ওই কেন্দ্রে জয়ের হাসি হেসেছেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। যদিও তা মানতে নারাজ তৃণমূল। পুনর্গণনার দাবি জানালেও তা মানেনি কমিশন। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল সুপ্রিমো প্রকাশ্যে আনলেন এক বিস্ফোরক এসএমএস। তাঁর দাবি, রিটার্নিং অফিসারকে খুনের হুমকি দিয়েছিল বিজেপি!
এদিন তাঁর ফোনে আসা একটি এসএমএস দেখান মমতা। ওই এসএমএস-এ লেখা ছিল, ‘প্লিজ সেভ মি। আমার কাছে আত্মহত্যা ছাড়া বিকল্প নেই। প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমাকে ক্ষমা করে দিন। আমার ছোট মেয়ে রয়েছে।’
এখানেই প্রশ্ন তোলেন মমতা। নন্দীগ্রামে যে রিটার্নিং অফিসার ছিলেন, কেন তিনি পুনর্গণনার সিদ্ধান্ত নিলেন না? গতকাল বিকেলে জানানো হয়, নন্দীগ্রামে জয়ী মমতা। তারপর বন্ধ গণনা। আশ্চর্যজনকভাবে ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই বদলে যায় ফলাফল। জানানো হয়, জয়ী শুভেন্দু অধিকারী। দলের কর্মীরা পুনর্গণনার আবেদন জানান। কিন্তু তা মানা হয়নি। কেন সেই আবেদনে সাড়া দেননি রিটার্নিং অফিসার? এদিন তারই জবাব দিলেন মমতা। পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন, নন্দীগ্রামের ফল নিয়ে তিনি হাইকোর্টে যাবেন।
সাংবাদিকদের সামনে ওই এসএমএস পড়ে শোনানো হয়। তারপর মমতা বলেন, ‘বুঝতে পারছেন কী হয়েছে! সব জায়গায় এক ফল আর একটা জায়গায় হঠাৎ ৮ হাজার ভোট হয়ে গেল জিরো। ৪ ঘণ্টা সার্ভার ডাউন করে রেখে দিয়েছিল। ৪০ মিনিট লোডশেডিং করে রেখেছিল। মেশিন পাল্টেছে। অনেক কিছু করেছে। ভয়ের কী আছে? অফিসিয়ালি কেউ পুনর্গণনা চাইতে পারে। নির্বাচন কমিশন দিল না কেন? সাংঘাতিক কথা দেখেছেন। মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে কাজ করানো হচ্ছে রিটার্নিং অফিসারকে।’ পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেছেন মমতা। তাঁর বক্তব্য, দু’জন পর্যবেক্ষক পক্ষপাতদুষ্ট। ওঁরা বলছেন, মমতাকে হারাতে হবে। ওঁরা ৫০ পার করত না। নির্বাচন কমিশনের জন্য করতে পেরেছে।’




