খবর লাইভ : মিলে যেতে চলেছে আইপ্যাকের কর্তা প্রশান্ত কিশোরের ভবিষ্যৎ বার্তা। মুখে চওড়া হাসি। যেন এক অদ্ভূত স্বস্তি! আনন্দ উচ্ছ্বাসে ভাসছে প্রশান্ত কিশোরের অফিস। সব কর্মীদের মুখেই এখন একটাই শ্লোগান। ‘খেলা হবে’। হবে নাই বা কেন! বাংলাতে বিগ চ্যালেঞ্জই তো বটে। বাংলা জয়ের পর এবার তাঁর মিশন কী?
হিসাব কষেছিলেন ৪ মাস আগেই। বলেছিলেন, ১০০ পার করতে পারবে না বিজেপি। রবিবার ফল বেরোতেই মিলে গেল সেই হিসেব। একেবারে অক্ষরে অক্ষরে। নীলবাড়ি দখলের লড়াইয়ে এই মুহূর্তে ৭৮টি আসনে এগিয়ে গেরুয়া শিবির। সোশ্যাল মিডিয়ায় যখন প্রশংসার ঝড়, তখন পিকে ঘোষণা করলেন আগামিদিনের নিজের পরিকল্পনার কথা। জানিয়ে দিলেন, ভোট স্ট্রাটেজিস্টের থেকে অবসর নিচ্ছেন তিনি। সহকর্মীদের হাতে তুলে দিলেন আইপ্যাকের দায়িত্ব। তাহলে এবার কোন পথে যাবেন প্রশান্ত কিশোর?
বেলা ৪টে ১২ মিনিট। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ২১২টি আসনে এগিয়ে তৃণমূল। বিজেপি এগিয়ে ৭৮টি আসনে। কোন জাদুদণ্ডে পিকে এই সাফল্য এনে দিলেন ঘাসফুল শিবিরকে? এই প্রশ্নের উত্তরেই কার্যত পলিটিক্যাল স্ট্যাটিজিস্ট হিসাবে নিজের অবসরের কথা ঘোষণা করেন প্রশান্ত। বলেন, ‘দিদিকে সাহায্য করতে পেরে ভালো লাগছে। তবে জানিয়ে রাখি আমি এই কাজ ছাড়ছি। আর এই কাজ করতে চাই না। অনেক হয়েছে। সহকর্মীদের হাতে আইপ্যাকের দায়িত্ব তুলে দিয়ে জীবনে অন্য কিছু করতে চাই আমি।’ তাহলে প্রশ্ন হল, কী করতে চান তিনি? তা অবশ্য খোলসা করেননি পিকে। কিছুদিন আগে অবশ্য তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, সক্রিয় রাজনীতিতেই ফিরবেন তিনি। নীতিশ কুমারের দল জেডিইউ ছাড়ার পর সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান পিকে। তবে যদি সেই ইঙ্গিতই সত্য হয়, তাহলে সক্রিয় রাজনীতিতে কি কোনও নতুন দল করবেন তিনি? নাকি হাত ধরবেন কোনও শক্তপোক্ত দলের? তা জানতে অবশ্য অপেক্ষা ছাড়া উপায় নেই।



