খবর লাইভ : কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন যে, কোভিড জনিত অতিমারী দেশের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারকে ব্যাহত করতে পারবে না। বাজেটে যে বেসরকারিকরণের পরিকল্পনা তাও অব্যাহত থাকবে। তবে এই মুহূর্তে সরকার অগ্রাধিকার দিতে চায় মানুষের জীবন বাঁচানোকেই এবং তার জন্য যা যা প্রয়োজনীয় তার ব্যবস্থা করা। এক অনলাইন আলোচনা সভায় নির্মলা বলেন, ২০২০ সালের চেয়ে বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন তৈরি করার দিকে জোর দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। দেশের কিছু জায়গায় করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। দিল্লির উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেছেন, সপ্তাহব্যাপী লকডাউন ঘোষণা করার ফলে পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে অসুবিধা দেখা দিয়েছে। শিল্পগুলিও মার খেয়েছে কারণ কাঁচামাল আনাগোনায় সমস্যা হয়েছে।
পাশাপাশি সীতারমন জানান, আমাদের আরও একটু অপেক্ষা করে দেখতে হবে এবং তারপর প্রয়োজন হলে লকডাউনের মতো কোনও সিদ্ধান্তের কথা ভেবে দেখা যাবে। এরপর তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, এই মুহূর্তে সব গতিশীল আছে এবং শিল্পগুলি আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। তাদের সঙ্গে যদি আরও ভাল ভাবে সহযোগিতা করা যায় তাহলে তেমন ক্ষতির মুখ দেখতে হবে না বলে তিনি মনে করেন। করোনার সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য মেডিকেল অক্সিজেন আমদানি করা হচ্ছিল এবং দ্বিতীয় ঢেউ সামলানোর জন্য পর্যাপ্ত পরীক্ষা ও টিকা ছিল। অতিমারীর সঙ্গে সমস্ত রাজ্য লড়াই করছে, ঠিক বা বেঠিক, যেভাবেই হোক। এই লড়াইয়ের মাধ্যমে পরস্পরকে কার্যত সাহায্যই করছে। এই সংকটকালে মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য ঝাঁপানো জরুরি এবং টিকার বিষয়টি নিশ্চিত করা দরকার।



