খবর লাইভ : প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের চোখ রাঙানিকে তোয়াক্কা না করে শুক্রবার ফের ভোটপ্রচারে বঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চলতি বিধানসভা ভোটে এটাই তাঁর শেষ ভোটপ্রচার। কলকাতার শহিদ মিনার ময়দানের পাশাপাশি আজ মালদা, বহরমপুর ও সিউড়িতে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। আর তাঁর শেষ ভোটপ্রচার থেকে যাতে রাজনৈতিক ফায়দা লোটা যায়, তার জন্য কোমর কষে ঝাঁপিয়েছেন বঙ্গের পদ্ম শিবিরের নেতারা।
গত ৭ মার্চ ব্রিগেডের সভার মাধ্যমেই রাজ্যে ভোট প্রচার শুরু করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার পরে গত দেড় মাস ধরে কার্যত রাজ্যের প্রতিটি জেলাতেই সভা করেছেন তিনি। যদিও অনেক সভায় ভিড় টানার ক্ষেত্রে ডাহা ফেল করেছে। মোদি ম্যাজিক যে আর কাজ করছে না, তা বোঝা গিয়েছে ফাঁকা সভার চেহারাতেই। গত ১৭ এপ্রিল আসানসোল ও গঙ্গারামপুরে শেষ সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরে ২২ এপ্রিল ও ২৪ এপ্রিল বঙ্গে সভা করার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু করোনা সংক্রমণের কথা মাথায় রেখে সেই কর্মসূচি বাতিল করা হয়। ঠিক হয়, শুক্রবার রাজ্যে একইসঙ্গে শেষবারের মতো ভোট প্রচারে এসে চার সভা করবেন মোদি।
কলকাতার সভা হওয়ার কথা ছিল ভবানীপুরের নর্দার্ন পার্কে। কিন্তু সেই সভার অনুমতি না মেলায় বিজেপি নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নিয়েছে শহিদ মিনারে সভা করা হবে। আজকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিটি সভাতেই মাত্র ৫০০ শ্রোতাকে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষ যাতে মোদির অমৃত বচন থেকে বঞ্চিত না হন, তার জন্য ঠিক হয়েছে প্রতিটি সভা স্থলের কাছাকাছি বড় বড় এলইডি স্ক্রিন লাগিয়ে করোনায় ত্রস্ত আমজনতাকে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ গেলানো হবে।
কলকাতায় শহিদ মিনারে প্রধানমন্ত্রীর সভাতে মূলত দলের পদাধিকারী ও বিজেপি সমর্থক স্বঘোষিত বিশিষ্টজনরা হাজির থাকবেন। আর ওই ভাষণ সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে শহরজুড়ে লাগানো হবে তিনশোর মতো এলইডি স্ক্রিন। মূলত অবাঙালি এলাকায় এবং গত লোকসভা ভোটে শহরের যে সব ওয়ার্ডে বিজেপি প্রার্থীরা এগিয়ে ছিলেন সেখানেই ওই এলইডি স্ক্রিন লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়া ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে দলের সমর্থকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে মোদির ভাষণ। আজ বিকাল চারটে ৪৫ মিনিট থেকে ৫ টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত শহিদ মিনার ময়দানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী।




