খবর লাইভ : কথায় বলে, ”ভাঁড়ে মা ভবানী।” রাজ্যে টিকার আকাল। এরমধ্যে আবার ১ মে থেকে শুরু হতে চলেছে ১৮ বছরের বেশি বয়সিদের ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ। এই অবস্থায় কিভাবে বিপুল চাহিদা মেটানো যায় তা ভাবাচ্ছে রাজ্য প্রশাসনের কর্তাদের।
ভ্যাকসিনের যোগান চেয়ে একাধিকবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কে চিঠি লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু কেন্দ্রের তরফে কোনও উত্তর আসেনি বলে অভিযোগ মমতার। এই অবস্থায় কীভাবে টিকার চাহিদা মেটানো সম্ভব? কেন এই দুশ্চিন্তা? কেন্দ্রের নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম টিকা পাবেন চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীরা। তারপর পুলিশ, পুরসভার কনজারভেন্সি ওয়ার্কার, ভোট প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কর্মী এবং 45 বছরের বেশি বয়সি প্রত্যেককে টিকা দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। এই ধরনের সম্ভাব্য টিকা প্রাপকের সংখ্যা ২ কোটি ৭০ লক্ষ। অর্থাৎ দু ডোজ টিকা দিতে হলে দরকার ৫ কোটি ৪০ লক্ষ ডোজ। যদিও বাংলায় টিকা এসেছে মাত্র ১ কোটি ২ লক্ষ ডোজ। ১৮ বয়সের বেশি যারা, তাদের এবার টিকাকরণ শুরু হলে সংখ্যাটা অনেকগুণ বেড়ে যাবে। এত টিকার যোগান দেবে কে? এর কোনও উত্তর মেলেনি কেন্দ্রের তরফে।
রাজ্যে এই মুহূর্তে ১৮- র বেশি বয়সি নাগরিকের সংখ্যা কত? ২০১১ র জনসুমারি হয়নি। তবে নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে, বাংলায় মোট ভোটারের সংখ্যা ৭ কোটি ৩২ লক্ষ ৯৮০। এরা সবাই ১৮ ঊর্ধ্ব। অর্থাৎ ৪৫ ঊর্ধ্ব দের বাদ দিলে, অন্তত সাড়ে চার কোটি ১৮ ঊর্ধ্ব নাগরিকের টিকার বন্দোবস্ত করতে হবে। অথচ রাজ্যে চলছে টিকার আকাল। এই অবস্থায় কীভাবে টিকা প্রদান সম্ভব তা ভাবাচ্ছে স্বাস্থ্য কর্তাদের।



