খবর লাইভ : এবছরের ১ জানুয়ারিতে দেশে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছিলেন ২০ হাজার জন৷ গত বছরে সেপ্টেম্বরে যে গ্রাফ ঊর্ধ্বগামী ছিল, তা অনেকটাই কমে যেতে থাকে শীতকালে৷ কিন্তু গরমের প্রকোপ বাড়তেই দেশে তীব্রভাবে আঘাত হেনেছে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ৷ জানুয়ারির চেয়ে দশগুণ বেড়েছে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা৷ ১৫ এপ্রিলের পর থেকে প্রতিদিন প্রায় ২ লক্ষের বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন দেশে৷ কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে এক বৈঠকে এই তথ্য জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক৷ মঙ্গলবার সমস্ত কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে কীভাবে কোভিডের এই সেকেন্ড ওয়েভের মোকাবিলা করা হবে তা নিয়ে একপ্রস্থ আলোচনা হয়৷ কেন্দ্রের দেওয়া তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে, গত ১১ দিনে দৈনিক কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ বেড়েছে এক লাফে৷ ৯ এপ্রিল যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১.৩১ লক্ষ, সেখানে ২০ এপ্রিল তা বেড়ে হয়েছে ২.৭৩ লক্ষ৷
এই তথ্য প্রদানের পাশাপাশি কোভিড নিয়ে আগামিদিনের পরিকল্পনা ঠিক করেছে কেন্দ্র৷ আগাম সতর্কতাস্বরূপ জানিয়েছে, আগামী তিন সপ্তাহ দ্বিতীয় ঢেউয়ের মোকাবিলার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময়৷ এ যেন এক অঘোষিত ‘জরুরি অবস্থা’৷ এই সময় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে পারে ব্যাপক হারে যদি না করোনা নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়া হয়৷ এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা, স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ সমস্ত কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের মুখ্যসচিব ও ডিজিপির সঙ্গে বৈঠক করেন৷ তাঁদেরকে কোভিড মোকাবিলায় তিন সপ্তাহের জন্য পরিকল্পনা করতে অনুরোধ করা হয় কেন্দ্রের তরফ থেকে৷ আরটি পিসিআর টেস্টিং বাড়ানোর ব্যাপারেও তাগিদ দেওয়া হয়৷




