National

করোনা ভাইরাস বায়ুবাহিত! দাবি মার্কিন মেডিকেল জার্নাল ল্যানসেটের

0
(0)

খবর লাইভ : নোবেল করোনা ভাইরাস বায়ুবাহিত! এমনই দাবি করল প্রথম সারির মার্কিন মেডিকেল জার্নাল ‘দ্য ল্যানসেট’। তাদের গবেষণায় এই নিয়ে শক্তপোক্ত তথ্য প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি করলেন আমেরিকা, ব্রিটেন ও কানাডার মোট ৬ জন বিজ্ঞানী। তাঁদের এহেন তত্ত্বে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন অনেকেই। এই সংক্রমণের জন্য বাতাসে ভেসে বেড়ানো এরোসলকেই (ছোট জলকনা) দায়ী করেছেন বিজ্ঞানীরা। বড় জলকণা বা ড্রপলেট থেকে এই ভাইরাস ছড়ানোর প্রমাণ অনেক কম। এমনই দাবি করা হয়েছে ওই গবেষণাপত্রে। ল্যানসেটের ওই প্রতিবেদন নিয়ে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। যদিও চিকিৎসক বিশেষজ্ঞদের একাংশ আবার এই গবেষণাকে চূড়ান্ত বলে মানতে নারাজ। কারণ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সত্যিই যদি ল্যানসেটের কথা ঠিক হয় তবে রাস্তায় বেরোলেই লোকজনের করোনা হতে পারে। কারও সান্নিধ্যে না এলেও। চারপাশে এত দিনে মড়ক লেগে যেত। কই তেমন তো হয়নি। তাই করোনা বায়ুবাহিত কিনা, সেই সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে আরও বিশদে গবেষণার দরকার।
ল্যানসেট যা বলছে তা অবশ্য নতুন কিছু নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু একটা সময় বলেছিল ক্ষেত্রবিশেষে সার্স কোভ -২ বায়ুবাহিত হতেও পারে। সেবার গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিল ক্লিনিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত হু-কে লেখা ৩২ টি দেশের ২৩৯ জন বিজ্ঞানীর চিঠি। সেই চিঠিতে করোনা নির্দেশিকা বদলের আর্জি জানিয়েছিলেন। তাঁরা জানিয়েছিলেন, এই ভাইরাস অতিক্ষুদ্র জলকণা দিয়ে বাতাসে অন্ততঃ ঘণ্টা তিনেক বেঁচে থাকে। ফলে সেই বাতাসে কেউ শ্বাস নিলে তাঁর করোনা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। হাঁচি কিংবা কাশি নয়। স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস থেকেও সংক্রমণ হতে পারে বলে দাবি করেছিল আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ। এবার নতুন করে প্রকাশ্যে এলো ল্যানসেটের তত্ত্ব। এ নিয়ে অবশ্য হু-র তরফে কোনও নির্দেশিকা নেই।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *