খবর লাইভ : সংক্রমণ তো কমছেই না। উল্টে প্রতিদিনই নতুন করে গড়ছে রেকর্ড। গতকাল কোভিড আক্রান্ত হয়েছে সারা দেশে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার। মৃতের সংখ্যাও ছশো ছাড়িয়েছে। যার জেরে কপালে চিন্তার ভাঁজ স্বাস্থ্যমন্ত্রকের।
কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ ক্রমশই ভয়াবহ হয়ে উঠছে। সবথেকে খারাপ অবস্থা মহারাষ্ট্রের। দৈনিক মৃত্যু আচমকা বেড়েছে ছত্তিশগড়ে। সরকারি হাসপাতালের একটি ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে মর্গে জায়গা না থাকায় কী ভাবে মাটিতে সার দিয়ে ফেলে রাখা হয়েছে কোভিড রোগীদের দেহ। দিল্লিতেও মৃত্যু হয়েছে ৮১ জনের। কর্নাটক, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাতেও রোজ উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় মৃত্যু হচ্ছে।
এভাবে রোজ রোজ আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায়, চাপ বাড়ছে হাসপাতাল ও নার্সিংহোমের ওপর। এই ভাবে গ্রাফ চড়তে থাকলে কী ভাবে তাঁদের চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া যাবে তা নিয়েও চিন্তার উদ্বেগে পড়েছে প্রশাসনিক মহলে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজ্যে কোভিড রোগীদের জন্য শয্যা বাড়ানো হচ্ছে। কিন্তু এখন দেশে যে সংখ্যক করোনা রোগী রয়েছে দেশে আগে কখনও ছিল না।
সংক্রমণে রাশ টানতে নাইটকার্ফু জারি করেছে বেশ কয়েকটি রাজ্য। পর্যটকদের আগমনের বিধিনিষেধ চাপানো হচ্ছে বিভিন্ন রাজ্যে। অন্যদিকে বুধবার থেকে পশ্চিমবঙ্গেও বেশ কড়াকড়ি করা হয়েছে। মহারাষ্ট্র, কর্নাটক, কেরল ও তেলেঙ্গানা থেকে যাঁরা আসবেন এই রাজ্যে তাঁদের ক্ষেত্রেও আরটিপিসিআর রিপোর্ট সঙ্গে রাখতে নির্দেশ জারি করা হয়েছে।
পিছিয়ে নেই উত্তরপ্রদেশও। পরিস্থিতি লাগামছাড়া হয়েছে গত কয়েক দিনে। সে রাজ্যে কুম্ভ মেলায় ভিড় ইতিমধ্যেই ‘সুপার স্প্রেডার’ হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। ছত্তিশগড়ে ১৫ হাজার ছাড়াচ্ছে কোভিড আক্রান্তের দৈনিক সংখ্যা। দিল্লিতে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত সাড়ে ১৩ হাজার ছাড়িয়েছে। কর্নাটক, মধ্যপ্রদেশে আক্রান্ত সাড়ে ৮ হাজারে বেশি, কেরলে সাড়ে ৭ হাজারের বেশি, তামিলনাড়ু এবং গুজরাতে সাড়ে ৬ হাজারের বেশি। অন্ধ্রপ্রদেশ, বিহার, পঞ্জাব, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশাতেও আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে।




