National

সাম্প্রদায়িক হিংসায় উত্তপ্ত রাজস্থানের বারান, পুড়ল বহু দোকান, গাড়ি

0
(0)

খবর লাইভ : রাজস্থানের বারান জেলার ছাবরা শহরে রবিবার সাম্প্রদায়িক হিংসায় দুই তরুণকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। বহু গাড়ি ও দোকান ভাঙচুর করেছে উন্মত্ত জনতা। এরপর প্রশাসন কার্ফ্যু জারি করে ও ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস দিয়ে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করলেও লাঠি, রড ও অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দুই সম্প্রদায়ের মানুষ সন্ধ্যা পর্যন্ত তাণ্ডব চালিয়ে যায়। আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয় অনেক জায়গায়। ক্ষতি হয়েছে সরকারি সম্পত্তি। বাদ যায়নি পুলিশ ও প্রশাসনের গাড়িও। বারানের পুলিশ সুপারিন্টেন্ড বিনীত বনশল জানিয়েছেন, পরিস্থিতি খুবই উত্তেজনাপূর্ণ। জনতারা হিংসা চালিয়ে যাচ্ছে এবং তাঁরা উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন। ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপারে আধিকারিকরা মুখ খুলতে চাননি। অতিরিক্ত বাহিনী আনা হয়েছে এবং কোটা রেঞ্জের ডিআইজি রবি গৌর সহ প্রবীণ আধিকারিকরা তড়িঘড়ি অকুস্থলে পৌঁছান। সূত্রের খবর, গুজ্জর সম্প্রদায়ের দুই তরুণ কমল গুজ্জর (৩২) ও ধাকাড় (২১) জখম হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাদের। ৫ অভিযুক্তের গ্রেফতারির দাবিতে আহতদের পরিবার ও গুজ্জর সম্প্রদায়ের লোকেরা ধর্নাওয়াড়া সার্কেলে শনিবার রাতে ধর্ণা দেয়। শনিবার রাতে তিন অভিযুক্ত ধরা পড়লেও মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। রবিবার সকালে আবার বিক্ষোভ দেখায় গুজ্জরা এবং দোকানপাট বন্ধ রাখার দাবি রাখে।

আলিগঞ্জ ও আজাজ নগরে এক দল লোক মিছিল করে এসে ব্যবসায়ীদের দোকান বন্ধ করে দিতে বলে এবং তাতে উত্তেজনা শুরু হয়। এরপর তা পাশাপাশি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ধর্নাওয়াড়া সার্কেল, স্টেশন রোড, আজাজ নগর ও আলিগঞ্জ এলাকায় প্রায় ১০-১২টি দোকানে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। সন্ধ্যার দিকে পুড়িয়ে দেওয়া হয় বেসরকারি যাত্রীবাহী বাস, মোটর গাড়ি ও অন্যান্য যানবাহন। বারান জেলার কালেক্টর রবিবার সন্ধ্যা ৪টায় ছাবরা শহরের মিউনিসিপ্যালিটি এলাকায় কার্ফ্যুর নির্দেশ দেন। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ১৩ এপ্রিল ইন্টারনেট সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় এই জেলায়।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *