State

‘অশান্তি করার চেষ্টা করলে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করুন’, পরামর্শ মমতার, বিজেপির নালিশ কমিশনে

5
(1)

খবর লাইভ: রাজ্যের তিন দফা নির্বাচন শেষ। নির্বাচনে সিআরপিএফের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেছে রাজ্যের শাসক দল। চতুর্থ দফাতে সিআরপিএফ যাতে কোনও সমস্যা সৃষ্টি করতে না পারে, তার উপায় বাতলে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই উপায় পদ্ধতিতে বেজায় চটেছে গেরুয়া শিবির। কমিশনে এদিন নালিশ জানিয়েছে তারা।
নির্বাচনী প্রচারে আজ কোচবিহারে গিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। কেন্দ্রীয় বাহিনী যাতে অশান্তি করতে না পারে, তার উপায় বাতলে দেন মমতা। নেত্রী বলেন, ‘কেন্দ্রীয় বাহিনী অশান্তি করতে এলে একদল ওদেরকে ঘিরে ফেলুন। আর একটা দল ভোট দিতে যান। কারা এই কাজ করছে তাদের নাম লিখে রাখুন।’ মমতা আরও বলেন, ‘গোটা এলাকায় ১৪৪ ধারা কখনই জারি হয় না। ওটা ২০০ মিটারের মধ্যে হয়। এটা বিজেপি মিথ্যে কথা বলে। যাতে মানুষ জোট বেঁধে বের হতে না পারে। ২০০ মিটার পর্যন্ত ১৪৪ ধারা কার্যকরী হয়। তার বেশি হয় না।’
তিনি অভিযোগ করেছেন রাজ্য পুলিশের একাংশের বিরুদ্ধেও। মমতার অভিযোগ, বিজেপির সঙ্গে আন্ডারস্ট্যান্ডিং করেছে রাজ্য পুলিশের একাংশ।
অন্যদিকে মমতার এই নিদানে বেজায় চটেছে গেরুয়া শিবির। সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, ‘কোনও রাজনৈতিক দল কোনও সামরিক বাহিনী বা আধা সামরিক বাহিনী নিয়ে বিরোধিতা করে মন্তব্য করে, তাহলে তা সংবিধান বিরোধী। রাষ্ট্রবিরোধী কাজ বলে মনে করি। এই মন্তব্যের কি রাজনৈতিক স্বীকৃতি রয়েছে? এই প্রশ্নই কমিশনের কাছে রাখছি।’
ওই বিজেপি নেতার কথায়, এই ধরনের মন্তব্য মাওবাদীরা করতে পারে। সামরিক বাহিনী বা আধা সামরিক বাহিনী দেশ রক্ষা করে। তাদের আক্রমণ করছেন মমতা! কোন অধিকারে জনগণ খ্যাপানো মন্তব্য?

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *