খবর লাইভ : হিন্দুত্বের অস্ত্রে শান দিতে তিনিই ছিলেন বিজেপি বহ্মাস্ত্র। অথচ ‘হিন্দুত্বের পোস্টার বয়’যোগী আদিত্যনাথের সভায় ভিড় নেই।যার জেরে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের কপালে চিন্তার ভাঁজ। ঘটনা হল, বিজেপির প্রধান দুই মুখ নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহ ছাড়া অন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রচারেও তেমন ভিড় হচ্ছে না। যার ফলে নীতীন গড়কড়ি, অর্জুন মুণ্ডা, রাজনাথ সিংয়ের মতো তথাকথিত তারকা প্রচারকদের আর রাজ্যে পাঠানোর ঝুঁকি নিচ্ছেন না অমিত শাহ-জেপি নাড্ডারা।
গত ২ মার্চ মালদার গাজোলে প্রথম জনসভা যোগীর।ওই সভা দিয়েই বাংলায় ভোট প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন তিনি। প্রথম দু’দফায় যেখানে ভোট হয়েছে সেই পুরুলিয়া, নন্দীগ্রাম, নামখানা সহ একাধিক জায়গায় কার্যত ফাঁকাই থেকেছে সভা। শনিবার তৃতীয় দফায় ডায়মন্ডহারবারের ফলতায়ও সভা করেছিলেন যোগী আদিত্যনাথ। সেই সভাও কার্যত ধু-ধু করেছে। আর তাতেই বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের কপালে চিন্তার ভাঁজ গভীর হয়েছে।
তাঁদের মনে একটাই প্রশ্ন, বঙ্গে ভোটারদের ধর্মীয় মেরুকরণের মাধ্যমে যে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা হয়েছিল, তা কি মুখ থুবড়ে পড়ল? ইতিমধ্যে যে সব জেলায় যোগীর সভা ফ্লপ হয়েছে সেখানকার জেলা নেতৃত্বের কাছে রিপোর্টও তলব করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। সূত্রের খবর, শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে পাঠানো রিপোর্টে জেলা নেতৃত্বের পক্ষ থেকে যুক্তি দেখানো হয়েছে, অত্যধিক গরমের কারণে এবং একের পর এক নেতার সভা থাকায় ভিড়ে কর্মী-সমর্থকদের সংগঠিত করা যাচ্ছে না।’




