খবর লাইভ : পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের মধ্যে বড়সড় মাওবাদী নাশকতা ছত্তিশগড়ে। যা ফিরিয়ে আনল ২০১০ এর দান্তেওয়াড়ার চিন্তলনারের হামলার স্মৃতি। মাওবাদী হামলায় শহিদ হয়েছেন ২৩ জওয়ান। আহত আরও প্রায় ৩০ জন। অসমের নির্বাচনী প্রচার কাটছাঁট করে দিল্লিতে ফিরে আসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে।
ঠিক হয়েছিল বাংলায় ভোট না হওয়া পর্যন্ত, এখানেই থাকবেন শাহ। কিন্তু মাওবাদী হামলার এই খবরে তড়িঘড়ি দিল্লিতে ফিরতে হয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে। দিল্লি ফেরার আগেই তিনি জানান, জওয়ানদের রক্ত ব্যর্থ হবে না। দিল্লিতে ফিরেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো ও সিআরপি- র শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন শাহ। তাঁর বক্তব্য, অভিযান আরও মজবুত, তীব্র হবে। তার পরিণাম মিলবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, প্রতিবছর বর্ষার আগে এপ্রিল থেকে সিপিআই (মাওবাদী) ক্যাম্পেইন শুরু করে। বর্ষার সময় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও মাওবাদীদের গেরিলা বাহিনী, এই দুই শিবিরের গতিবিধি বন্ধ হয়ে যায়। তার আগে মাওবাদীরা সংগঠনে স্থানীয় গ্রামবাসীদের মধ্যে থেকে নতুন নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, এলাকা দখল শুরু করে। এই সময়টা তারা আরও বেশি আগ্রাসী হয়ে ওঠে। গত বছর এই সময় মাওবাদী হামলায় ১৭ জন জওয়ান প্রাণ হারান। তবে এবারের বিজাপুরে মাওবাদীদের হামলায় শহিদের আরও বেশি। ২৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন। প্রায় চারশো জন মাওবাদী সিআরপিএফ জওয়ানদের ঘিরে আক্রমণ চালায়। লুট করা হয় ১২টির বেশি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র। তবে যৌথবাহিনীর পাল্টা গুলির আঘাতে বহু মাওবাদীরও মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত সাতজন মাওবাদীর দেহ পাওয়া গিয়েছে বলে পুলিশের তরফ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।




