খবর লাইভ : এবারেও যা হোক করে আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্র নিজেদের দখলে রাখতে সক্ষম হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। গতবারের তুলনায় যৎসামান্য বেশি ভোটে এবারের লোকসভা নির্বাচনে জিতলেও খানাকুল, গোঘাট এবং পুড়শুরা এই তিনটি বিধানসভা আসনে বেশ পিছিয়ে রয়েছে রাজ্যের শাসক দল। লোকসভা ভোটে খারাপ ফলের জন্য ইতিমধ্যেই অন্তর তদন্ত শুরু করেছে তৃণমূল। বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতার বদান্যতার জন্যই যে রাজ্যের শাসকদল এই বিধানসভা কেন্দ্রগুলোতে পিছিয়ে রয়েছে তা একপ্রকার নিশ্চিত। সেই তালিকায় নাম রয়েছে রামমোহন ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সুজিত ঘোষের। সুজিতের বিরুদ্ধে তোলাবাজি, বেআইনি কাজ সমর্থন করা সহ একাধিক বিষয় নিয়ে দলীয় নেতৃত্বের কাছে ইতিমধ্যে অভিযোগ জমা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় লোকজন মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে চিঠি পাঠিয়ে তদন্তের দাবি করেছেন।
আরও পড়ুনঃ এশিয়া কাপ ফাইনালে হার ভারতের, ট্রফি শ্রীলঙ্কার ঝুলিতে
খানাকুলের রামমোহন ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সুজিতের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই এলাকার লোককে চমকানো, তোলাবাজি, সরকারি গাছ বিক্রি করে দেওয়া, একশো দিনের কাজের দুর্নীতি সহ একাধিক বিষয় নিয়ে অভিযোগ উঠছিল। যা নিয়ে সোচ্চার ছিলেন স্থানীয় লোকজন। স্থানীয় মানুষের পাশাপাশি বিজেপি এবং তৃণমূলের একটা অংশ এর প্রতিবাদ করছিলেন। লোকসভা ভোটেও এই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় আশানুরূপ ফল করতে পারেনি তৃণমূল। যার জন্য অনেকাংশেই সুজিত দায়ী বলে দাবি এলাকার পুরনো দিনের তৃণমূল কর্মীদের। এলাকার লোকজনের অভিযোগ, কেউ কোনও বাড়ি করলে তাঁর কাছ থেকে অন্যায়ভাবে টাকা চাইছেন সুজিত। জমির কারবারেও জড়িত বলে এলাকার একটা বড় অংশের দাবি। আর সেই কারণেই ওই এলাকায় তৃণমূলের আশানুরূপ ফল হয়নি বলে দাবি করে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে ওই উপপ্রধানের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে।
সুজিত অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে ওটা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘চক্রান্ত করা হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে। আমি কোনও বেআইনি কাজের সঙ্গে জড়িত নই। একশ্রেণীর দুর্নীতিগ্রস্ত দলীয় নেতারাই আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এই ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছেন।’




