খবর লাইভ : সঔরকারি চাকরিতে কোটা-সংস্কার পদ্ধতির আন্দোলন ও আন্দোলনের এক পর্যায়ে সরকার বিরোধী দলগুলোর একাত্মতাসহ সরকার পতনের দাবি এবং যে মারাত্মক বিপর্যয়কর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে তা রীতিমতো আতঙ্ক ও উদ্বেগের। সন্দেহ নেই, হাসিনা সরকারের পক্ষ থেকে সময়মতো যথাযথ উদ্যোগ না নেওয়ার ফলে কোটা-সংস্কারের এই গভীর-উপস্থিত সমস্যাটি, বছরের পর বছর ধরে বিভিন্ন সংকটের দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। কোটা-সংকারের সংকটটি কর্তৃপক্ষের অতীতে গুরুত্ব না দেওয়ার ফলেই বর্তমানের উদ্ভূত পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।
আর
এই প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের কাছে একটা সংখ্যার কথা বলেছেন। তিনি বলেন, “প্রাথমিক ভাবে আমাদের কাছে গোলমালে নিহতের একটা সংখ্যা এসেছে, সেটা ১৪৭। পরে সংখ্যাটি বাড়তে পারে।”
বেসরকারি ভাবে আর একটি তালিকা মানবাধিকার কর্মীদের তরফে প্রকাশ করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে তালিকাটি করা হয়েছে। এই তালিকায় ১৬-১৯ তারিখে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা জানানো হয়েছে ২৬৬। শাসক দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ দিন দাবি করেছেন, নাশকতার পরিকল্পনাকারীদের লক্ষ্য ছিল হিংসাত্মক জনতাকে প্রধানমন্ত্রীর দফতর ‘গণভবন’-এ ঢুকিয়ে দেওয়া। তা হলে শ্রীলঙ্কার মতো পরিস্থিতি তৈরি করা যেত।
প্রসঙ্গত, ২০ জুলাই ভোর থেকে কার্ফু জারির পাশাপাশি দেশের সর্বত্র সরকার সেনা মোতায়েন করার পরেই বাংলাদেশে অশান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এ দিন সেনাবাহিনীর পক্ষে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, সমাজমাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে নানা মিথ্যা অভিযোগ প্রচার করা হচ্ছে।




