খবর লাইভ : কাজ চলছে জোর কদমে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে পুজোর আগেই চালু হয়ে যাবে কালীঘাট স্কাইওয়াক।
স্কাইওয়াকের মূল অংশের কাজ প্রায় শেষ। প্রবেশ এবং প্রস্থান পথের মাথায় চূড়া বা ডোম বসানোর কাজ চলছে। মোট পাঁচটি ডোম বসবে। পাশাপাশি চলছে চলমান সিঁড়ি ও লিফ্ট বসানোর কাজ। নির্মাণকারী সংস্থার আধিকারিকদের দাবি, আগস্টে পরিকাঠামো নির্মাণের কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। তার কিছুদিনের মধ্যেই সাধারণের ব্যবহারের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
৪৫০ মিটার দীর্ঘ স্কাইওয়াকের মূল কাঠামো তৈরি প্রায় সম্পূর্ণ। অর্ধ গোলাকার লোহার কাঠামো আধুনিক পলিকার্বনেট শিটে মুড়ে ফেলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই একটি প্রবেশ পথে চলমান সিঁড়ি বসানোর কাজ শেষ। এখন চলছে ডোম বানানোর কাজ। এস পি মুখার্জি রোড, ফায়ার ব্রিগেড দিয়ে মহিম হালদার স্ট্রিট ধরে গুরুপদ হালদার পাড়া রোড, সদানন্দ রোড, কালী টেম্পল রোড সহ মোট পাঁচটি জায়গায় স্কাইওয়াকের ঢোকা ও বেরনোর গেটের মাথায় চূড়া বসানো হবে। পুরোটাই ওয়েল্ডিং বা ঝালাইয়ের কাজ। লোহা ও ফাইবার দিয়ে প্রথমে চূড়ার মূল কাঠামো বানানো হচ্ছে। তার উপর পলিকার্বনেট শিট দিয়ে ডিজাইন করা হবে। মন্দিরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই স্কাইওয়াকের এই চূড়াগুলি হবে। প্রথমে ৭৭ কোটি টাকা বাজেট থাকলেও খরচ ৯০ কোটি ছুঁতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
কলকাতা পুরসভার তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে শুরু হয়েছিল স্কাইওয়াকের কাজ। তখন বলা হয়েছিল, ১৮ মাসের মধ্যে কাজ শেষ হবে। তারপর তিনবার পিছিয়েছে কাজ শেষের সময়সীমা। কাজের বিলম্ব হওয়ায় গত বছর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পূর্তদপ্তর, পুরসভা মিলিয়ে জনা দশেক আধিকারিকের স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করা হয়। ঠিক হয়, এই কমিটি নিয়মিত স্কাইওয়াকের কাজ তদারকি করবে। নির্মাণকারী সংস্থাকে তারাই গত ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে কাজ শেষ করতে বলেছিল। তা হয়নি। এবার আগস্টের মধ্যেই কাজ শেষ করে দেওয়া যাবে বলেই একপ্রকার নিশ্চিত আধিকারিকরা। ফলে পুজোর আগেই খুলে যাবে স্কাইওয়াক।




