খবর লাইভ : সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলার শুনানি। তিন সপ্তাহ পর ফের মামলা উঠবে সুপ্রিম কোর্টে। হাই কোর্ট চাকরি বাতিল করলেও বহাল রেখেছিল সুপ্রিম কোর্ট। যোগ্য-অযোগ্যদের চিহ্নিত করে তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছিল সর্বোচ্চ আদালত। ২০১৬ সালের এসএসসি-র সমস্ত নিয়োগ অবৈধ বলে জানিয়ে, এপ্রিল মাসে ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। যার মধ্য়ে অযোগ্য়দের পাশাপাশি ছিলেন যোগ্য়রাও। পরে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, আপাতত কারও চাকরি বাতিল হবে না। কিন্তু, এই ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের ভবিষ্য়ৎ কী? যোগ্য় প্রার্থীদের চাকরি কি থাকবে? নাকি শেষ অবধি কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশই বহাল রাখবে সুপ্রিম কোর্ট? মঙ্গলবার এই মামলারই শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। যেদিকে তাঁকিয়ে সবাই। তবে শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে গেল ‘সুপ্রিম’ শুনানি।৩ সপ্তাহ পর ফের মামলা উঠবে সুপ্রিম কোর্টে।
নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে, ২০১৬ সালে এসএসসি-র ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের প্যানেল বাতিল করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়। ৭ মে শুনানিতে, সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, আপাতত কারও চাকরি বাতিল হবে না। সেদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছিল। যদি যোগ্য-অযোগ্য আলাদা করা সম্ভব হয়, তাহলে গোটা প্যানেল বাতিল করা ন্যায্য হবে না।
এসএসসি-র তরফে সুপ্রিম কোর্টে মৌখিকভাবে জানানো হয়, যাদের চাকরি বাতিল হয়েছে, তার মধ্য়ে ১৯ হাজার যোগ্য়। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় স্কুল সার্ভিস কমিশন-র আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন, যোগ্য় এবং অযোগ্য় চাকরিপ্রার্থী কি আলাদা করা সম্ভব? এটা করার মতো কোনও তথ্য় নথি কি আছে? উত্তরে স্কুল সার্ভিস কমিশন-র আইনজীবী জানান, সিবিআই-এর বাজেয়াপ্ত করা ডিজিটাল ডেটা দেখতে দেওয়া হলে যোগ্য়-অযোগ্য়দের আলাদা করা সম্ভব। এখন প্রশ্ন হল, এতদিনে কি যোগ্য়-অযোগ্য় আলাদা করা সম্ভব হয়েছে? তার ওপরই নির্ভর করছে চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্য়ত। ফলে সবার নজর আগামী শুনানির দিকেই।



