খবর লাইভ : দীর্ঘ চার মাস পর সোমবার সুপ্রিম কোর্টে ওঠে রাজ্যের ডিএ (মহার্ঘ ভাতা) মামলা। কিন্তু, সময়ের অভাবে সেই মামলার শুনানি হল না শীর্ষ আদালতে। ফলে, ডিএ মামলার শুনানি স্থগিত হতে গেল। এখন আগামীতে কবে এই মামলার ফের শুনানি হবে তাও স্পষ্ট করে এখনও জানানো হয়নি। সোমবার বিকেল নাগাদ বিচারপতি হৃষীকেশ রায় এবং বিচারপতি এসভিএন ভাট্টির বেঞ্চে মামলাটির শুনানির কথা ছিল। সরকারি কর্মচারিরা আজ আশা করে শীর্ষ আদালতের দিকে তাকিয়ে থাকলেও বাস্তবে কিছুই হল না। সূত্রের খবর, দু;সপ্তাহ পর পরবর্তী শুনানির দিনক্ষণ জানা যেতে পারে।
কেন্দ্রীয় হারে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ-র দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেছিলেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। ২০২২ সালের ২০ মে উচ্চ আদালত রাজ্যকে কর্মচারীদের কেন্দ্রের সমতুল ৩১ শতাংশ হারে ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয়। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য। ২০২২ সালের ৩ নভেম্বর মামলা দায়ের হয় শীর্ষ আদালতে। প্রথম শুনানি হয় ২৮ নভেম্বর। এরপর ২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর মামলাটির শেষ বার শুনানি হয়েছিল।আগের মতো আজও সময়ের অভাবে মামলাটির আর শুনানি হয়ে উঠল না। ডিএ মামলার সঙ্গে যুক্ত আইনজীবীদের একাংশ মনে করছেন, বর্তমানে মামলাটি যে অবস্থায় রয়েছে, তাতে এখনই তার নিষ্পত্তি হওয়ার সম্ভবনা খুবই কম। আরও সময় লাগতে পারে। রাজ্যের পক্ষের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি এই মামলায় আরও সময় প্রার্থনা করেন। বিরোধিতা করেন, মামলাকারীদের আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য এবং ফিরদৌস শামিম। কিন্তু, দু’পক্ষের বক্তব্য শুনে মামলা স্থগির রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বিচারপতি হৃষীকেশ রায় এবং বিচারপতি এসভিএন ভাট্টির বেঞ্চ।
কিন্তু আবার কবে ডিএ মামলার শুনানি? আরও বেশ কয়েক মাস সরকারি কর্মচারীদের অপেক্ষা করতে হবে সেরকমই মনে করা হচ্ছে। কারণ, বাংলায় সামনে পুজো রয়েছে। তার একটা প্রভাব পড়তে পারে। তবে, সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, পুজো যেহেতু শুধুমাত্র বাংলায় তাই শুনানিতে সমস্যা হবে না। কিন্তু, সোমবারের পরিবর্তে অন্যদিন এই মামলার শুনানি রাখতে আর্জি জানিয়েছেন রাজ্যের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। কারণ, সোমবার অনেক মামলার চাপ থাকে, আর ডিএ মামলা নিয়ে এখনও বিস্তর আলোচনা প্রয়োজন। ফিরদৌস শামিম সেক্ষেত্রে দাবি করেচেন, পুজোর আগেই ডিএ মামলার শুনানি হোক।




