খবর লাইভ : কার্যত জুতোপেটা করে বৃদ্ধাকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তৃণমূল নেতাকে। অভিযুক্তকে পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম থেকে আটক করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম বিশ্বজিৎ আচার্য। তাঁর বাড়ি নৈহাটি নামক গ্রামে। তিনি এলাকার তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য। অভিযুক্তকে ইতিমধ্যে আদালতে হাজির করা হয়েছে। বিচারক তাঁকে ১৪ দিনের জেল হফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রবিবার দুপুরের ঘটনা। সীতাহাটি পঞ্চায়েতের অন্তর্গত দুটি গ্রাম এনায়েতপুর এবং নৈহাটি। এনায়েতপুরের বাসিন্দা ইতি দাস এবং দীপক দাসের মেয়ে সম্পর্কে কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। মা অবশ্য জানতে পারেন নৈহাটি গ্রামের এক বাসিন্দার বাড়িতে রয়েছেন মেয়ে। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ওই বাড়ি থেকে মেয়েকে আনতে গেলে, তাঁদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে ওই বাড়িরই লোকজন। দ্বিতীয়বার ওই বাড়িতে গিয়ে মেয়েকে আনতে গেলে বিশ্বজিৎ আচার্য, ইতির মা ইন্দুবালালকে জুতো খুলে ব্যাপক মারধর করেন। এরপর অসুস্থ অবস্থায় মৃত্যু হয় বৃদ্ধার।
আরও পড়ুনঃ রাজ্যপালের চোপড়া সফরকে কেন্দ্র করে পুলিশি তৎপরতা তুঙ্গে
পরিবারের পক্ষ থেকে ইতি দাস বলেছেন, “মায়ের কথাতে আমি ওই বাড়িতে যাই। তখনও বিশ্বজিৎ আচার্য আমাদের সামনে এসে গালিগালাজ করতে থাকেন। ওই রূপ দেখে মা বলে ফেলেন, গাধা কোথাকার! তোমার বাড়ির মেয়ে হলে কী করতে? এ কথা বলার পরেই বিশ্বজিৎ মাকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দিয়েই জুতো খুলে বুকে মারতে থাকেন। এরপর মা আর উঠতে পারেননি। ওখানেই মৃত্যু হয়। তৃণমূল নেতা বিশ্বজিতের মারের আঘাতেই মায়ের মৃত্যু হয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে পুলিশের কাছে দ্বারস্থ হয়েছি। অভিযুক্তকে রবিবার রাতেই গ্রেফতার করা হয়েছে।”
পাল্টা কেতুগ্রাম-২ তৃণমূল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিকাশ বিশ্বাস বলেছেন, শুনেছি আগে থেকে বৃদ্ধার হার্টের অসুখ ছিল। আমাদের পঞ্চায়েত সদস্যকে ফাঁসনো হয়েছে। পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করলেও আরও ২ জনের সন্ধান চালাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।




