খবর লাইভ : নতুন করে চাপ বাড়ল বাংলার প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের। ইডি, সিবিআইয়ের পর এবার আয়কর দফতরের র্যাডারে অর্পিতা। আয়কর দফতর সূত্রে খবর, আরও অনেক গোপন সম্পত্তি থাকতে পারে অর্পিতার। ফলে জেলে গিয়ে অর্পিতাকে জেরা করা প্রয়োজন।
বেনামি সম্পত্তি খুঁজে বের করতে জেরা করা প্রয়োজন বলে মত আয়করের। এদিকে এই ঘটনা প্রসঙ্গে আসরে নামলেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ। তিনি জানিয়েছেন, ‘গোপন ভাণ্ডার সামনে আনতে হবে। তথ্য বের করতে এটা দেরি লাগল কেন।’এদিকে তৃণমূলের জয়প্রকাশ মজুমদার বলেছেন, ‘এতদিন পর হঠাৎ টনক নড়ল কেন। সবই সাজানো নাটক।’ জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে স্কুলের বিনিময়ে কয়েক কোটি টাকার চাকরি মামলায় বেনামি লেনদেনের অধীনে তদন্ত শুরু করছে আয়কর বিভাগ। তদন্তের মূল কেন্দ্রবিন্দু পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে ঘিরে।
সূত্রের খবর, বর্তমানে দক্ষিণ কলকাতার একটি সংশোধনাগারে জেলবন্দি অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই নতুন লাইনের তদন্ত শুরু করতে চায় আয়কর দফতর। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চেয়ে কলকাতার বিশেষ আর্থিক তছরুপ আইনের (পিএমএলএ) বিশেষ আদালতে আবেদন করেছে আয়কর দফতর। ঘটনার উপর নির্ভর করে আয়কর দফতরের আধিকারিকরা এই মামলায় জেলে থাকা পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। এই মামলার তদন্তকারী ইডি এবং সিবিআই আধিকারিকরা অন্যদের নামে বেশ কয়েকটি সম্পত্তি চিহ্নিত করার পরে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছিল। সূত্রের খবর, তিনটি কেন্দ্রীয় সংস্থা বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে এই মামলার তদন্ত করছে। সিবিআই যখন ফৌজদারি দিকটি খতিয়ে দেখছে, তখন ইডি অর্থ পাচারের লাইন নিচ্ছে এবং আয়কর বিভাগ বেনামি লেনদেনের তদন্ত করছে।




