National Special News Special Reports

ফের মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতে পারেন জামিনে মুক্ত হেমন্ত সোরেন

0
(0)

খবর লাইভ : পাঁচ মাস পর সদ্য জেল থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা জেএমএম নেতা হেমন্ত সরেন। জানা যাচ্ছে, ফের মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতে তৈরি হচ্ছেন তিনি। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সরেন কিছু দিনের মধ্যেই ইস্তফা দিতে পারেন।

তবে ক্ষমতার হাত বদল কতটা শান্তিপূর্ণভাবে হবে তা নিয়ে সংশয় আছে। প্রথমত, বিগত পাঁচ মাস চম্পাই সরেন দক্ষতার সঙ্গে রাজ্য পরিচালনা করেছেন। বিরোধী দল বিজেপি তাঁর বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত কোনও জোরালো অভিযোগ তোলার সুযোগ পায়নি। তাছাড়া প্রবীণ এই নেতা গোটা রাজনৈতিক জীবনই জেএমএমের সঙ্গে কাটাচ্ছেন। একটা সময় দলের প্রতিষ্ঠাতা শিবু সরেনের ছায়াসঙ্গী ছিলেন।

হেমন্ত ফের মুখ্যমন্ত্রীর গদিতে ফিরতে চলেছেন, আজই তিনি মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণ করতে পারেন।

এই সম্ভাবনা প্রবল হয় মঙ্গলবার একটি সরকারি অনুষ্ঠান নিয়ে সিদ্ধান্ত ঘিরেও। সদ্য নিয়োগ হওয়া ১৫০০ শিক্ষককে মুখ্যমন্ত্রী চম্বাইয়ের অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার হাতে তুলে দেওয়ার কথা ছিল ওই অনুষ্ঠানে। সকালে সরকারের তরফে ওই অনুষ্ঠান স্থগিত রাখার কথা জানানো হয়। পরে জানা যায়, হেমন্ত ফের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম শিক্ষকদের হাতে নিয়োগ পত্র তুলে দেবেন।

জেল থেরে বেরিয়ে হেমন্ত প্রথম ভাষণেই দাবি করেন, তাঁর কাছে খবর আছে, ঝাড়খণ্ডে দ্রুত বিধানসভার ভোট ঘোষণা করে দেবে নির্বাচন কমিশন। তাই এখনই পথে নেমে পড়তে হবে দল ও সরকারকে। হিসেব মতো ওই রাজ্যে ভোট হওয়ার কথা নভেম্বরে। কিন্তু হেমন্ত অনুগামীরা মনে করছেন, তিনি ফের মুখ্যমন্ত্রী হলে এই বার্তা আরও জোরালো হবে যে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করে তিনি কুর্সি পুনর্দখল করেছেন। ভোটের প্রচারেও হেমন্তকে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে তুলে ধরতে হলে এখনই তাঁর ওই পদে বসা উচিত এবং জনকল্যাণমুখী নতুন প্রকল্প ঘোষণা করে নির্বাচনের ডাক দেওয়া দরকার।

কিন্তু চম্পই সরেন এখনও পর্যন্ত হেমন্তকে গদি ছেড়ে দেওয়ার ব্যাপারে কোনও উচ্চবাচ্য করেননি। শোনা যাচ্ছে ঝাড়খণ্ডে বিহারের পুনরাবৃত্তি হতে পারে। পড়শি রাজ্যে নীতীশ কুমার সাময়িক মুখ্যমন্ত্রিত্ব থেকে সরে গিয়ে জীতন রাম মাঝিকে ওই পদে বসিয়ে ছিলেন। পরে নীতীশ ফের মুখ্যমন্ত্রী হতে চাইলে বেঁকে বসেন জীতন রাম। শেষে দল থাকে বরখাস্ত করে এবং জেডিইউ বিধায়কেরা রাজ্যপালকে জানান, তাঁরা মাঝির উপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ঝাড়খণ্ডে চম্পাই বিহারের মাঝির পথে হাঁটেন কিনা সেটাই এখন দেখার।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *