খবর লাইভ : নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এই নিয়ে টানা তিন বার ক্ষমতায় আসার পথে এনডিএ সরকার। পাঁচ বছরের পূর্ণ মেয়াদ পরপর দু’বার শেষ করে এ ভাবে টানা তৃতীয় বার ক্ষমতায় ফেরা গত ছ’দশকে প্রথম। কিন্তু বিজেপি একার শক্তিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল না। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা কিংবা এক ব্যক্তি-এক দলকে কেন্দ্র করে সরকার নয়, বরং ফের জোট শরিকদের উপরে নির্ভরশীল এনডিএ সরকারের প্রত্যাবর্তন ঘটল।
শরিক দলের সকলের প্রতি ধন্যবাদজ্ঞাপন করেন মোদি। তিনি বলেন, ‘‘এনডিএ দলের নেতা রূপে সর্বসম্মত ভাবে দায়িত্ব দেওয়ার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। ২০১৯ সালের পর আমাকে এই দায়িত্ব দেওয়ায় আমি নিজেকে সৌভাগ্য মনে করি। এটাই আমার কাছে বড় পুঁজি। জোট করে নির্বাচন লড়া এবং সরকার গড়ার ব্যাপারে এত বড় সাফল্য আগে আসেনি।’’
মোদি আরও বলেন, ‘‘সরকার চালানোর জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা আবশ্যক, তবে দেশ চালানোর জন্য সর্বমত জরুরি। নির্বাচনের আগে জোট করে লড়াই করে এনডিএ-র মতো সাফল্য কেউ পায়নি।’’বিজেপি এ বার একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। তাই সরকার টেকাতে ভরসা করতে হচ্ছে এনডিএ-র শরিকদের উপর। বিজেপি এ বার ২৪০টি আসন পেয়েছে। তার পরই রয়েছে চন্দ্রবাবুর দল। তাদের ঝুলিতে রয়েছে ১৬টি আসন। এ ছাড়াও নীতীশের জেডিইউ বিহারে পেয়েছে ১২টি আসন। এই পরিস্থিতিতে বিহার এবং অন্ধ্রের এই দুই নেতার রাজনৈতিক গতিবিধির উপর নজর রয়েছে সব মহলের।




