খবর লাইভ : একদিকে বাড়ছে গরমের দাপট, অন্যদিকে ভারতে ক্রমশ উদ্বেগজনক হচ্ছে কোভিডের পরিস্থিতি। বুধবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য ও পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে নতুন করে ১০ হাজার ৫৪২ জন কোভিড ১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এই মুহূর্তে দেশে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ৬৩ হাজার ৫৬২ জন। তবে সব থেকে বেশি চিন্তা বাড়ছে রাজধানীকে নিয়ে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক বলছে এখন দিল্লিতে মোট ৫ হাজার ৭১৪ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, কোভিডের নতুন ভ্যারিয়েন্ট XBB1.16 ভ্যাকসিন বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে এড়াতে পারে। এই মুহূর্তে যা পরিস্থিতি আগামী এক মাস সব দিকে কড়া নজর রাখতে হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। দেশের পরিসংখ্যান আজ একলাফে বেড়েছে অনেকটাই। এইমস-এর ডাক্তাররা বলছেন, সারা দেশে নতুন করে কোভিড সংক্রমণ বাড়ছে। তবে এই সংক্রমণের অধিকাংশই মৃদু উপসর্গযুক্ত। মৃত্যুর হার রেকর্ড করা হয়েছে ১.১৮ শতাংশ। এখনও পর্যন্ত সারা দেশে মোট ২২০.৬৬ কোটি ডোজ দেওয়া হয়েছে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে খবর। যদিও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও সেভাবে হাসপাতালে ভর্তি হতে হচ্ছে না বলেই মত চিকিৎসকদের।
গতকাল অর্থাৎ ১৮ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার কোভিড ১৯-এর জন্য একটি গাইডলাইন প্রকাশ করে। যেখানে ভিড় এড়ানোর পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি বয়স্ক, শিশু, গর্ভবতী মহিলা এবং কো-মর্বিডিটি রয়েছে এমন ব্যক্তিদের পর্যাপ্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কো*ভিড পজিটিভ হলে এক সপ্তাহ হোম আইসোলেশনে থাকার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যের জন্য একটি হেল্পলাইন নম্বরও চালু করা হয়েছে। বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এই মুহূর্তে রাজ্যে ৪৯ জন কোভিড রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাঁদের মধ্যে ৯ জনের অক্সিজেন সরবরাহের প্রয়োজন হচ্ছে। তবে, কারও ভেন্টিলেশনের প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে এখনই কোনও চিন্তার কারণ নেই বলেই মত মুখ্যমন্ত্রীর।




