খবর লাইভ : লোকসভা ভোটের আগেই বড় সড় ধাক্কা খেল তৃণমূল কংগ্রেস, এনসিপি এবং সিপিআইয়ের জাতীয় দলের স্বীকৃতি বাতিল করল নির্বাচন কমিশন। আজ সোমবার কমিশনের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় দলের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টিকে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায়। কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতে যাওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ শপথ বীরেন্দ্রর, রাজ্যপালের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ শুভেন্দু
নির্বাচন কমিশনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী জাতীয় দলের স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য তিনটি শর্তের অন্তত একটি পূরণ করতে হয়। এক, লোকসভায় অন্তত চারটি রাজ্য থেকে ৬ শতাংশ ভোট পেতে হবে। দুই, লোকসভায় ৩টি রাজ্য থেকে অন্তত ১১টি আসন (মোট আসনের ২ শতাংশ) জিততে হবে এবং আগের জেতা আসনের অন্তত চারটি পুনরায় জিততে হবে। তিন, অন্তত চারটি রাজ্যে ‘রাজ্য দলের’ তকমা পেতে হবে। সেই শর্ত পূরণ করতে না পারার জন্যই তৃণমূল কংগ্রেস, ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি ও সিপিআইয়ের জাতীয় দলের স্বীকৃতি বাতিল করা হয়েছে। ওই তিন দলই রাজ্য দলের মর্যাদা পাচ্ছে । অর্থাৎ এখন আর ওই তিন দল সব রাজ্যে একই প্রতীকে লড়তে পারবে না। তাছাড়া তারকা প্রচারক বেছে নেওয়ার সুবিধাও পাবে না।
২০১৬ সালে পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, অরুণাচল ও মনিপুর প্রদেশে রাজ্য পর্যায়ের দল হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় তৃণমূলকে জাতীয় দলের মর্যাদা দিয়েছিল কমিশন। এদিন জাতীয় দলের স্বীকৃতি হারালেও মেঘালয়ে রাজ্য দলের মর্যাদা পেয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। একইভাবে ত্রিপুরায় রাজ্য দলের মর্যাদা পেয়েছে প্রদ্যোৎ কিশোর মাণিক্য বর্মনের তিপ্রা মোথা।




