Special News Special Reports State

এক কোটি সই আর ৫০ হাজার লোক নিয়ে এক মাস পর দিল্লি ঘেরাও এর ঘোষণা অভিষেকের

0
(0)

খবর লাইভ :  আলিপুরদুয়ারের  সভা থেকে শনিবার অভিষেক বলেন, ‘১০০ দিনের কাজের মজুরি পাননি যাঁরা, সেইরকম এক কোটি মানুষের সই সংগ্রহ করতে হবে রাজ্যজুড়ে। ওই এক কোটি সই আর ৫০ হাজার লোক নিয়ে এক মাস পর দিল্লি  যাব। এক কোটি মানুষের সই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আর গিরিরাজ সিংয়ের দফতরে জমা দেব। দেখি ওরা কীভাবে টাকা আটকে রাখে!’
এই সই সংগ্রহের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বুথ সভাপতিদের। এদিন অভিষেক বলেন, ‘আপনারা সই সংগ্রহ করুন। এক মাস পর আমার প্রতিনিধি এসে আপনার কাছ থেকে সেগুলো নিয়ে যাবেন। তারপর ওই এক কোটি সই নিয়ে আমরা দিল্লি যাব। রাজধানী স্তব্ধ করে দেব।’
আলিপুরদুয়ারের তৃণমূলের জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভা থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের পাশাপাশি বিজেপি নেতাদেরও তীব্র আক্রমণ করে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। এদিন সভা শুরু থেকে ১০০ দিনের কাজের টাকা নিয়ে অভিষেকের গলায় ছিল চড়া সুর। তৃণমূল বুথ সভাপতিদের ১০০ দিনের টাকা থেকে বঞ্চিতদের তালিকা তৈরির পাশাপাশি ইডি-সিবিআই নিয়েও কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করেন তিনি।

নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তোলপাড় রাজ্য। একের পর এক তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীর গ্রেফতারির পর শাসকদলের অস্বস্তি ক্রমেই বাড়ছে। ইডি-সিবিআই এর মতো সংস্থা দিয়ে হেনস্থা করার চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ শাসকদলের। এদিন ইডি-সিবিআই তদন্ত নিয়েও মুখ খোলেন অভিষেক। তিনি বলেন, “কোনও সিবিআই-ইডির ক্ষমতা নেই। তৃণমূল কংগ্রেস বিশুদ্ধ লোহা। যত মারবেন, যত পোড়াবেন তত শক্তিশালী হবে। আমাদের পিছনে যত এই সব লাগাবেন, আন্দোলন ও প্রতিবাদের ভাষা তীব্রতর হবে।”
এর পাশাপাশি অভিষেক জানিয়েছেন দুর্নীতিগ্রস্তদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করলেও তাঁরা কোনও আপত্তি নেই। এমনকী বিজেপির মতো তিনি চোরদের বুকে আগলে রাখেন না বলেও দাবি করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। আলিপুরদুয়ারের সভা থেকে অভিষেক বলেন, “দুর্নীতির নামে আবাস যোজনার টাকা আটকে রেখে দেওয়া হয়েছে। রাস্তার টাকাও আটকে রেখে দেওয়া হয়েছে। বিজেপি শুধু মমতা বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শত্রু নয় বাংলার শত্রু। বাংলার অধিকারের জন্য আমাদের লড়াইয়ে আপনাদের পাশে থাকতে হবে।”
পঞ্চায়েতের প্রার্থী নিয়ে দলীয় কর্মীদের এদিন কড়া বার্তা দিয়েছেন অভিষেক। তিনি বলেন, “পঞ্চায়েতে কাকে প্রার্থী করা হবে, সেই নিয়ে আমি খোঁজ নেব। এই নিয়ে আর কিছুদিন পর বিস্তারিত বলব। আগেও বলেছি, আবার বলছি। মানুষ যাঁকে সার্টিফিকেট দেবে, পঞ্চায়েতে তিনিই প্রার্থী হবেন। কোনও দাদা-দিদি ধরে কাজ হবে না।”

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *