খবর লাইভ : পঞ্চায়েত সদস্যার বাড়িতে ধারালো অস্ত্র নিয়ে দুষ্কৃতীর হামলা। ঘটনায় পঞ্চায়েত সদস্যা সহ তাঁর স্বামী ও এক মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। অপর একজন মেয়ে বর্তমান কোচবিহার এমজেএন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শুক্রবার ভোড়ে ঘটনাটি ঘটেছে মাথাভাঙ্গা মহকুমার শীতলকুচি ব্লকের হাসপাতাল পাড়া এলাকা। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতরা হলেন পঞ্চায়েত সদস্যা নীলিমা বর্মন (৫২), তাঁর স্বামী বিমল কুমার বর্মন (৬৮) ও তাঁর বড় মেয়ে রুনু বর্মন।
আরও পড়ুনঃ আইপিএল-এ প্রথম জয় পেল কেকেআর, আরসিবিকে হারাল ৮১ রানে
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যাদের মধ্যে মূল অভিযুক্ত বিভূতিভূষণ বর্মন নামে এক যুবককে স্থানীয়রা মারধর করায় তাঁকে কোচবিহার এমজেএন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি দুজনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর , মূল অভিযুক্ত বিভূতিভূষণ বর্মনের সঙ্গে নীমিমার ছোট মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল । এদিন ভোর ৪টে ৪০ মিনিট নাগাদ বিভূতিভূষণ সহ আরও দুজন নীলিমার বাড়িতে হামলা চালায়। পুলিশের প্রাাথমিক অনুমান, মূলত প্রেম সম্পর্কের কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবিতে শীতলকুচি ব্লকের হাসপাতাল পাড়া এলাকায় পথ অবরোধ সুরু করেছে স্থানীয় বাসিন্দারা।
এই ঘটনায় গুরুতর আহত হন পঞ্চায়েত সদস্যা নীলিমা বর্মন, ও তাঁর স্বামী সহ দুই মেয়ে। আহতদের প্রথমে মাথাভাঙ্গা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে মৃত্যু হয় নীলিমা ও তার স্বামী বিমলে। আহত দুই মেয়েকে কোচবিহার এমজেএন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে বড় মেয়ে রুনুকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। ছোট মেয়ে ইতি বর্মন বর্তমানে আশঙ্কাজানক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। ঘটনার খবর পৌঁছয় শীতলকুচি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী সহ মাথাভাঙ্গা মহকুমার এডিশনাল এসপি অমিত ভার্মা। ঘটনার পরে অভিযুক্তদের ধরে ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা।




