খবর লাইভ : দীর্ঘ রোগভোগের পর প্রয়াত হলেন বেলুড় মঠের সহ সংঘাধ্যক্ষ স্বামী প্রভানন্দ। শনিবার সন্ধ্যা ৬.৫০ মিনিটে সেবা প্রতিষ্ঠান হাসপাতালে তিনি প্রয়াত হন। রবিবার গভীর রাতে তাঁর নশ্বর দেহ বেলুড় মঠে আনা হয়। এদিন সকাল ছয়টা থেকে রাত আটটা অবধি ভক্ত এবং দর্শকদের জন্য দেহ শায়িত থাকবে সংস্কৃতি ভবনে।
রাত নটায় মঠের মঠের নিজস্ব ঘাটে শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। তাঁর প্রয়াণে অগণিত ভক্ত এবং সন্ন্যাসীরা শোকে বিহ্বল। শোকবার্তা পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ রাজ্য সরকারের প্রতিনিধি উপস্থিত হয়েও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবেন। প্রয়াত মহারাজ ১৯৫৮ সালে রামকৃষ্ণ মিশনে যোগদান করেন।
মিশনের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের পদ অলংকৃত করেছিলেন তিনি। সেবা প্রতিষ্ঠানের সহ-সম্পাদকও ছিলেন। ১৯৮৩ সালে তিনি মঠের সহ-সম্পাদক নিযুক্ত হন। ২০০৭ সালে সাধারণ সম্পাদক । এরপর ২০১২ সালে ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। দেশ-বিদেশে প্রায় ৫০ হাজারের বেশি ভক্তকে তিনি দীক্ষা দিয়েছেন।
প্রয়াত স্বামী প্রভানন্দের নশ্বর দেহ শায়িত রয়েছে বেলুড় মঠের সংস্কৃতি ভবনে৷ আজ ভোর ছটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত দেহ থাকবে। তাঁর ভক্ত, দীক্ষিত এবং সাধারণ মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। এরপর রাত নটায় মঠের নিজস্ব ঘাটে শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।
প্রবীণ সন্ন্যাসীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শোকবার্তায় তিনি লিখেছেন, ‘‘রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বামী প্রভানন্দর ( বরুণ মহারাজ) প্রয়াণে আমি গভীরভাবে শোকাহত।… তাঁর মৃত্যুতে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন তথা বৃহৎ জনজীবনে গভীর আধ্যাত্মিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শূন্যতার সৃষ্টি হল। এ ক্ষতি অপূরণীয়। আমি তাঁর সকল অনুগামী, ভক্তবৃন্দ ও ছাত্রবৃন্দকে আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাই।’’



