খবর লাইভ : বকেয়া ডিএর দাবিতে শুক্রবার ধর্মঘটে শামিল হয়েছিলেন বর্ধমানের মির্জাপুরের নরেন্দ্রনাথ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। ধর্মঘটে শামিল হওয়ার কারণে স্থানীয়দের একাংশের ক্ষোভের মুখে পড়তে হল শিক্ষকদের। স্কুল বন্ধ রাখার ফল স্বরুপ শনিবার পড়ুয়াদের নিয়ে স্কুলের বাইরে গাছতলায় কাটাতে হল শিক্ষকদের। তবুও স্কুল গেটের তালা খোলেন নি ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা। এর জেরে শুক্রবারের পর শনিবারও বিদ্যালয়ের পঠনপাঠন বন্ধ থাকার পাশাপাশি মিড-ডে মিল পাওয়া থেকেও বঞ্চিত হল পড়ুয়ারা। শুধু নরেন্দ্রনাথ প্রাথমিক বিদ্যালয় নয়, এদিন একই রকম ঘটনা ঘটেছে পূর্বস্থলীর হাটসিমলা জুনিয়র হাই স্কুলে। গ্রামবাসীদের পাশাপাশি এলাকার তৃণমূল নেতা তথা পঞ্চায়েত সমিতির কর্ম্যাধ্যক্ষ বিকাশ বসাক এদিন স্কুলে গিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন। এইসব নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হলে নাদনঘাট থানার পুলিশ বিদ্যালয়ে পৌছে পরিস্থিতি সামাল দেয়।
নরেন্দ্রনাথ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়া সংখ্যা ২৫০ জন। এদের জন্য রয়েছেন সাত জন শিক্ষক ও শিক্ষিকা। ডিএ সহ একাধীক দাবিতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ শুক্রবার ধর্মঘটের ডাক দেয়। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে ওইদিন এই বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে গড় হাজির থাকেন। তালা বন্ধ থাকে বিদ্যালয়ের গেট। আর এদিন শিক্ষক শিক্ষিকারা সাড়ে ১০ টার মধ্যে বিদ্যালয়ে হাজির হলেও তারা দেখেন স্কুলের গেটে ডবল তালা লাগানো রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে শিক্ষকরা জানতে পারেন শুক্রবার তাঁরা কেউ স্কুলে না আসায় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা বিদ্যালয়ের গেটে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যালয় গৃহে আর ঢুকতে না পেরে বাইরে গাছতলাতেই কিছুক্ষণ পড়ুয়াদের ক্লাস নেন বলে শিক্ষকরা দাবি করেছেন।
যদিও হাটসিমলা জুনিয়র হাই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তপন মুড়া স্বীকার করে নেন, “ডিএ-র দাবিতে ডাকা ধর্মঘট সফল করার জন্য স্কুলে হাজির হন নি।




