Special News Special Reports State

কেষ্টকে দিল্লি নিয়ে যেতে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স প্রস্তুত রেখেছে ইডি !

0
(0)

খবর লাইভ : জেলা হাসপাতাল থেকে শনিবার অনুব্রত মণ্ডলকে সংশোধনাগারে ফেরত নিয়ে আসা হয়েছে। কলকাতা হাই কোর্টে এমনই জানালেন ইডির আইনজীবী।হাই কোর্টে ইডির দাবি, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে প্রয়োজনে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করে তাঁকে দিল্লি এইমসে নিয়ে যেতে প্রস্তুত তারা। সেখানে সবচেয়ে ভাল চিকিৎসা পাবেন তৃণমূল নেতা বলে দাবি করল ইডি।

কারণ, অনুব্রত শীরীরিক অসুস্থতার বিষয়ে যাই দাবি করুন না কেন, শনিবার সকালে কার্যত বিপরীত দাবি জানিয়েছেন চিকিৎসকের। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছেন, প্রায় দু’সপ্তাহে ৪ কেজি ওজন বেড়েছে অনুব্রতর। এখনই গরু পাচার মামলায় ধৃত তৃণমূল নেতাকে হাসপাতালে ভর্তির কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই।
যেনতেনপ্রকারণে দিল্লি যাওয়া আটকাতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন গরু পাচার মামলায় ধৃত অনুব্রত। শনিবার বিচারপতি বিবেক চৌধুরীর এজলাসে অনুব্রতের আইনজীবী জানান,দিল্লি হাই কোর্টে ইডি মৌখিক ভাবে আশ্বাস দিয়েছিল ওই মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত হাজিরা করানো হবে।ইডির বক্তব্য সোনার পর বিচারপতি বিবেক চৌধুরীর পর্যবেক্ষণ, এত গুরুত্বপূর্ণ মামলা। আর নির্দেশনামায় কিছু নেই। ৪ মাস ধরে ইডির মৌখিক আশ্বাসের ভিত্তিতে ছিলেন। এক বার মনে হল না নির্দেশনামায় বিষয়টি উল্লেখ করা প্রয়োজন? এখানে বার বার দেখছি মৌখিক আশ্বাস নির্দেশনামায় উল্লেখ করতে বলা হয়েছে।তিনি প্রশ্ন করেন, দিল্লি হাই কোর্টে আপনারা এটা করলেন না কেন? যেখানে আপনাদের অভিযোগ হচ্ছে ইডি আপনাদের মিথ্যা মামলায় জড়াচ্ছেন।

এই প্রশ্নের উত্তরে পাল্টা অনুব্রতের আইনজীবী জানান, গত ২১ ডিসেম্বর ২০২২ জেল কর্তৃপক্ষকে ইমেল করে ইডি। জানানো হয় এখনই কোনও পদক্ষেপ করা হবে না। কারণ, অনুব্রতর সমস্যা রয়েছে, তিনি অসুস্থ। আসানসোলের সিবিআই আদালত পর্যাপ্ত চিকিৎসার কথা জানিয়েছেন। তাই যে কোনও বিশেষজ্ঞকে দিয়ে তাঁর চিকিৎসা করানো হোক।
সেখান থেকে রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত স্থগিত রাখা হোক হাজিরার নির্দেশ। ১৭ ডিসেম্বর দিল্লি হাই কোর্টে শুনানি রয়েছে। ওই দিন পর্যন্ত রক্ষাকবচ দেওয়া হোক।
এর পর বিচারপতি চৌধুরীর প্রশ্ন করেন, আসানসোলের সিবিআই আদালতের আচরণ অনেকটা পোস্ট অফিসের মতো। আর আসানসোল জেল কর্তৃপক্ষের কাছে অনুব্রত মণ্ডলকে হাজির করানোর জন্য ওয়ারেন্ট রয়েছে। ইডির আইনজীবী বলেন, কলকাতা এবং দিল্লি দুই হাই কোর্টে তথ্য গোপন করা হয়েছে। দুই জায়গায় মামলা করা হয়েছে এটা কোথাও উল্লেখ নেই। এই সব যুক্তি শুক্রবার দিল্লি হাই কোর্টে বলা হয়েছিল।কিন্তু আদালত রক্ষাকবচ দেয়নি।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *