খবর লাইভ : জামিন পেলেন তৃণমূলের ধৃত ১৪ জন নেতা। রবিবার আদালত চত্বরেও বিজেপি কর্মী সমর্থকরা গুন্ডামি করে বলে অভিযোগ। ভাঙচুর করা হয় একের পর এক গাড়ি। আক্রান্ত হন সদ্য তৃণমূলে যোগ দেওয়া সুবল ভৌমিক। তৃণমূলের অভিযোগ, সব দেখেও নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে বিপ্লব দেবের পুলিশ।
গোটা ঘটনায় সুর চড়িয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর হুঁশিয়ারি, ১৭ মাস পর বিপ্লব দেবের সরকার থাকবে না ত্রিপুরায়। খোয়াই থানাতেই এদিন অবস্থান বিক্ষোভ দেখান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।
রবিবার সকালে খোয়াই থানায় গিয়ে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাতের পাশাপাশি পুলিশের সঙ্গে বচসা জড়িয়ে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ব্রাত্য বসু, দোলা সেন, কুণাল ঘোষরা। এরপরই কড়া নিরাপত্তায় ধৃত তৃণমূল নেতা-কর্মীদের আদালতে নিয়ে যায় পুলিশ। এদিন খোয়াই থানায় পুলিশের সঙ্গে রীতিমতো বচসায় জড়ান তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। কেন গ্রেফতার করা হয়েছে জানতে চেয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগপত্র দেখতে চান অভিষেক। যদিও অভিষেককে অভিযোগ পত্র দেখাতে পারেনি পুলিশ। যার ফলে আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি।
দীর্ঘক্ষণ থানার অন্দরে বাক-বিতণ্ডার পর ধৃত তৃণমূল নেতাকর্মীদের পুলিশি পাহারায় আদালতে নিয়ে যায় ত্রিপুরা পুলিশ। অভিযুক্তদের আদালতে নিয়ে যাওয়া হলেও যতক্ষণ না ন্যায় বিচার মিলছে ততক্ষণ থানাতেই অবস্থানের সিদ্ধান্ত নেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।




