State

নিজের সম্পত্তির উইল বৈশাখীর নামে করলেন শোভন

0
(0)

খবর লাইভ : আইনি মতে বিবাহ-বিচ্ছেদ হয়নি শোভন চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী তথা তৃণমূল বিধায়ক রত্নার। কিন্তু তাতে থোড়াই কেয়ার! বিশেষ বান্ধবীর জন্য সবটাই উজার করে দিচ্ছেন কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র। গতকাল রাতেই বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে শোভনের সঙ্গে জুড়েছেন নিজের নাম। ঘটনাচক্রে গতকাল রাতেই শোভন নিজের সম্পত্তির সবটাই বৈশাখীর নামে উইল করেছেন। এমনকী বৈশাখীর নামে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি করেছেন শোভন।

দীর্ঘদিন ধরেই ‘বিশেষ বন্ধু’র জন্য রাজনীতি, সংসার সব ত্যাগ করেছেন শোভন। রত্না তো দূর ত্যাগ করেছিলেন মাতৃসম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতেই গিয়েছিলেন এই জুটি। কিন্তু মাঝে নিষ্ক্রিয় হয়ে ফের তৃণমূলে ফেরার পথ খুঁজছেন কানন ও বৈশাখী। কিছুদিন আগেই শিল্পমন্ত্রী তথা তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্ট্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন শোভন-বৈশাখী। সম্প্রতি মাতৃহারা পার্থবাবুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ সেরেছেন দুজনেই। সেখানে দাঁড়িয়েই মুখ্যমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন এই জুটি।

গতকাল রাতেই বৈশাখী তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শোভনের নামের যোগ নিয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, শোভন এখন ফেসবুকে অতটা অ্যাক্টিভ নয়। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে অনেকটা দূরে। আজ থেকে আমার এই ফেসবুক অ্যাকাউন্টটাকে আমার আর ওর দুজনের জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট করে দিলাম। ও আমাকে সব অধিকার দিয়েছে। সেই অধিকারে করলাম। ওর পদবিটা রত্না চট্টোপাধ্যায় ব্যবহার করুন, আমার কিছু আপত্তি নেই। সেটা ভালোবেসে ব্যবহার করুন বা দাগ ঢাকতে ব্যবহার করুন, আমার কোনও আপত্তি নেই। আমি ব্যানার্জি পদবিটা জন্মগত অধিকারে ব্যবহার করি। কিন্তু শোভন নামটা ব্যানার্জি আর বৈশাখীর মধ্যে নিয়ে এলাম। ভিডিও বার্তায় বৈশাখী এও জানিয়েছেন, আমি এক ছোট মেয়ের কথায় অনুপ্রাণিত হয়েছিলাম। একজন মানুষকে যখন সে নিজের অস্তিত্বের পার্ট মনে করে, সে তখন তার নামের সঙ্গে সেই ব্যক্তির নাম যুক্ত করে, সম্পর্কের আলাদা স্বীকৃতি দেয়। আমি মনে করি, বৈশাখী শোভন বন্দ্যোপাধ্যায় এই অ্যাকাউন্টটার নাম হবে। বিশেষ বান্ধবীর সঙ্গে জীবনের কোনও নতুন ইনিংস খেলা শুরু করছেন শোভন? আপাতত রাজনীতিতে সেই বার্তাই বহন করছে।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *