খবর লাইভ : সামনের বছর উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে সেই রাজ্যেও দল বদলের খেলায় মত্ত রাজনীতিকরা। ৯ জন বহুজন সমাজ পার্টির (বিএসপি) বিধায়ক মঙ্গলবার সকালেই সমাজবাদী পার্টির (এসপি) প্রধান তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদবের সঙ্গে দেখা করেছেন। তারপরই জল্পনা ওই বিদ্রোহী বিধায়করা হয়তো সপাতে যোগ দিতে পারেন। যদিও রাজ্যসভা ভোটের সময়ও এর আগে অখিলেশের সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা। তবে এদিনের এই সাক্ষাতের পরই রাজ্যের রাজনৈতিক স্তরে বড়সড় রদবদলের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে ঘর গোছাতে ব্যস্ত সব রাজনৈতিক দলই। উত্তরপ্রদেশে বুয়া-ভাতিজা বলে পরিচিত মায়াবতী-অখিলেশের মধ্যেও এবার লড়াই শুরু। ২০১৭ বিধানসভা নির্বাচনে ১৯টি আসনে জয়ী হয়েছিল বহুজন সমাজ পার্টি। যার মধ্যে উপ নির্বাচনে একটি আসন হারায় মায়াবতীর দল বিএসপি। অর্থাৎ উত্তর প্রদেশ বিধানসভায় বিএসপি বিধায়ক ছিলেন ১৮ জন। যার মধ্যে গত ৪ বছরে ১১ জনকে বহিষ্কার করেছেন মায়াবতী। ফলে এখন উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় বিএসপি বিধায়কের সংখ্যা মাত্র ৭। বর্ষীয়ান বিএসপি নেতা লালজি বর্মা ও রাম আচল রাজভরকে দলবিরোধী কার্যকলাপের জন্য বহিষ্কার করেছেন মায়াবতী। যদিও এই ২ জন মঙ্গলবার অখিলেশ যাদবের সঙ্গে দেখা করেননি বলেই জানা গিয়েছে। তাই রাজ্য রাজনীতিতে মায়াবতী গুরুত্ব হারিয়েছেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
অন্যদিকে, ২০১৭ সালে উত্তরপ্রদেশে গেরুয়া ঝড়ে হেরে যান প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব। কিন্তু ২০২২ অখিলেশ অন্য মাত্রায় রাজনীতি করছেন। যোগী আদিত্যনাথের নানা নীতির বিরুদ্ধে উত্তরপ্রদেশে যাঁরাই বিজেপি বিরোধী তাঁদের এক ছাতার তলায় নিয়ে আসার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন সপা প্রধান অখিলেশ। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে সপা-বিএসপি জোট ব্যর্থ হওয়ায় একাধিক বিধায়ক ও নেতারা মায়াবতীর দল ছেড়ে অখিলেশের দলে আসেন। সামনের বছর বিধানসভা নির্বাচনের আগে যদি বসপা ছেড়ে সপা-তে যান কিছু নেতা, তা মায়াবতীর জন্য বড়ই খারাপ খবর বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।




