খবর লাইভ : আফতাবের প্রতি প্রবল টানের কারণেই অত্যাচার, মারধর সত্ত্বেও তাঁকে ছেড়ে যেতে চাননি শ্রদ্ধা৷ সম্পর্কে পরিবারের আপত্তি থাকায় মহারাষ্ট্র থেকে আফতাবের সঙ্গে দিল্লিতে চলে আসেন শ্রদ্ধা৷
গত তিন দিন ধরে তল্লাশি চালিয়ে মেহরৌলীর জঙ্গল থেকে ১৩টি হাড় উদ্ধার করেছে পুলিশ। কিন্তু সেই হাড়গুলি শ্রদ্ধারই কি না, তা নিশ্চিত হতে ডিএনএ বিশ্লেষণ জরুরি বলেই জানিয়েছে পুলিশ।দিল্লির মেহরৌলীর জঙ্গল থেকে উদ্ধার হওয়া হাড়গোড় এত পুরনো হয়ে গিয়েছে যে, সেগুলি থেকে ডিএনএ খুঁজে পেতে যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের।
বুধবারও মেহরৌলীর জঙ্গলে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে দিল্লি পুলিশ। একটি দেহাংশও পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি তাদের। আফতাব এবং শ্রদ্ধার বাবাকে নিয়ে চার ঘণ্টা ধরে ওই জঙ্গলে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়।
রো টুকরো করে লোপাট করেছিল আফতাব? তা জানতেই গত সোমবার তাকে দক্ষিণ দিল্লির ওই ফ্ল্যাটে নিয়ে যায় দিল্লি পুলিশ৷ আর সেখানেই পুলিশের সামনে চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি করেছে আফতাব৷ নৃশংসতার সেই বিবরণ শুনলে শিউরে উঠবেন যে কেউ!
গত ১৮ মে শ্রদ্ধাকে খুন করে আফতাব৷ পুলিশকে সে জানিয়েছে, খুনের পর প্রথমে শ্রদ্ধার লিভার এবং পাকস্থলী শরীর থেকে বের করে নেয় আফতাব৷
শ্বাসরোধ করে শ্রদ্ধাকে খুন করার পর তাঁর দেহ টুকরো টুকরো করতে শুরু করে আফতাব৷ শ্রদ্ধার দেহ প্লাস্টিক ব্যাগে ভরে রাখার জন্য একটি তিনশো লিটারের ফ্রিজও কেনে সে৷ এর পর ধাপে ধাপে পরবর্তী ১৬ দিনে দিল্লির কাছেই একটি জঙ্গলে ঘেরা এলাকায় শ্রদ্ধার দেহাংশ ফেলে দিয়ে আসে আফতাব৷




