Special News State

কার দোষে মুকুলের দলত্যাগ? ময়নাতদন্ত শুরু বিজেপির অন্দরে

0
(0)

খবর লাইভ : খারাপ সময় বোধহয় একেই বলে। একে ২১ এর বিধানসভা ভোটে বিজেপির ভরাডুবি। সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই দলে ভাঙন। অমিত শাহ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়দের ‘তুরুপের তাস’ মুকুল রায় এখন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশ্রয়ে। কিন্তু কেন মুকুলের এই দলত্যাগ? দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি তথা বিধায়ক বিজেপি ছাড়ছেন, সেটা কি কেউই জানতেন না? যদি জানতেন তবে কেন তাঁকে আটকানো হল না? এখন এমনই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে বিজেপির নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিজেপি মুকুলের মস্তিষ্ককে সে ভাবে ব্যবহার করতে পারেনি। বিধানসভা ভোটে মুকুল ব্রাত্যই ছিলেন গেরুয়া শিবিরে। ভোটের ফল ঘোষণার একমাস নয় দিনের মাথায় হঠাৎ তৃণমূলে ফিরে যাওয়ায় কার্যত মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে পদ্ম শিবিরের। রাজ্য বিজেপি নেতারা প্রকাশ্যে স্বীকার না করলেও, দলের অন্দরে এই নিয়ে দ্বিমত নেই যে মুকুল না থাকলে ২০১৯ এর লোকসভা ভোটে ১৮টি আসন গেরুয়া ঝুলিতে কিছুতেই আসত না। এহেন মুকুলকে কেন বিধানসভা ভোটে ঠিক মতো কাজে লাগানো হল না, তা নিয়ে বিজেপির বহু নেতাই ঘনিষ্ঠ মহলে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের আশঙ্কা, মুকুল তৃণমূলে ফিরে যাওয়ায় বিজেপির নিচু তলার সংগঠনে বড়সড় ফাটল ধরতে চলেছে। কেন না বুথ স্তরে দলীয় কর্মীদের অনেকেই মুকুল অনুগামী।

রাজনৈতিক সংগঠনের খুঁটিনাটি একেবারে গুলে খাওয়া মুকুলের। তাঁর হঠাৎ দলবদল বিজেপির কাছে নিঃসন্দেহে বিড়ম্বনার। তাঁকে অনুসরণ করে আর কজন এই পথে হাঁটেন, সেই ভয়ে এখন কাঁটা গেরুয়া শিবির। যদিও বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ মনে করছেন, মুকুলের দলে থেকে তেমন কোনও লাভ হয়নি।

একটা সময় মুকুল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। সেই পদে সম্প্রতি বসেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে পুরোনো দলে ফিরে মুকুল কী পদ পাবেন, তা নিয়েও রাজনৈতিক শিবিরে চর্চা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন খালি হওয়া রাজ্যসভার আসনে মুকুলকে সাংসদ করতে পারেন তৃণমূল নেত্রী।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *