খবর লাইভ : আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যাওয়ার নিরলস চেষ্টাতেও তেমন লাভ হলো না। পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের (পিএনবি) ঋণ কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত পলাতক হীরে ব্যবসায়ী মেহুল চোকসিকে ‘নিষিদ্ধ অভিবাসী’ (প্রোহিভিটেড মাইগ্র্যান্ট) হিসেবে ঘোষণা করল ডোমিনিকা সরকার। যার ফলে তার গ্রেফতারি যেমন বৈধতা পেল, তেমনই চোকসিকে অ্যান্টিগায় ফেরত পাঠানোর সম্ভাবনাও উজ্জ্বল হয়ে উঠল। তবে যেহেতু পলাতক হীরে ব্যবসায়ীর গ্রেফতারি নিয়ে আদালতে মামলা চলছে, তাই আদালতের চূড়ান্ত নির্দেশ না আসা পর্যন্ত চোকসিকে অ্যান্টিগায় ফেরত পাঠানো হচ্ছে না।
গত ২৫ মে অবৈধভাবে প্রবেশের অপরাধে ভারতের পলাতক হীরে ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছিল ডোমিনিকা পুলিশ। আদালতে এ সংক্রান্ত মামলায় মেহুলের আইনজীবী বিজয় আগরওয়াল দাবি করেন, তাঁর মক্কেলকে অপহরণ করে ডোমিনিকায় নিয়ে গিয়েছিলেন বান্ধবী বারবারা জারাবিকা। । তাছাড়া তাঁর মক্কেলের গ্রেফতারি বেআইনি। কারণ মেহুলকে আদালত ‘নিষিদ্ধ অভিবাসী’ ঘোষণা করেনি। ডোমিনিকা সরকারের স্বরাষ্ট্র ও জাতীয় সুরক্ষা দফতরের এক নির্দেশিকায় অবশ্য ভারতের পলাতক হীরে ব্যবসায়ীকে ‘নিষিদ্ধ অভিবাসী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মেহুলকে অবিলম্বে দেশ থেকে বের করে দেওয়ার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকা আত্মসাত করার অভিযোগ ওঠার পরেই ২০১৮ সালে দেশ থেকে পালিয়ে অ্যান্টিগায় আশ্রয় নিয়েছিলেন মেহুল। গত বছর তিনেক ধরে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য লাগাতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মোদি সরকার। অ্যান্টিগার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গত মাসে এ বিষয়ে সরাসরি কথা বলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর তার পরেই রহস্যজনকভাবে গত ২৩ মে অ্যান্টিগা থেকে নিখোঁজ হয়ে যান মেহুল। ২৫ মে ডোমিনিকায় তার হদিশ মেলে। পলাতক হীরে ব্যবসায়ীকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ডোমিনিকায় বিশেষ বিমান ও সিবিআইয়ের পদস্থ আধিকারিকদের পাঠিয়েছিল ভারত সরকার। যদিও পতক হীরে ব্যবসায়ীকে ভারতের হাতে তুলের দিতে রাজি হয়নি ডোমিনিকা সরকার।




