খবর লাইভ : ১১ মে কোভিডে আক্রান্ত হয়ে বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মুকুল রায়ের স্ত্রী তথা শুভ্রাংশুর মা কৃষ্ণা রায়। ২২ দিন হাসপাতালে তাঁকে দেখতে যাওয়া তো দূর, একবারও খোঁজ নেননি বঙ্গ বিজেপির প্রথম সারির কোনও নেতা। কিন্তু হঠাৎ এই চিত্রটা বদলাতে শুরু করল বুধবার সন্ধের পর থেকে। বৃহস্পতিবার কৃষ্ণার স্বাস্থ্যের খোঁজ নিতে সরাসরি মুকুলকে ফোন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যারপরই শোরগোল রাজ্য রাজনীতিতে।
রাজনীতি বড় বালাই! বুধবার সন্ধ্যায় বীজপুরের প্রাক্তন বিধায়ক শুভ্রাংশুর মাকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন যুব তৃণমূলের সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় শুভ্রাংশুর সঙ্গেও কথা বলেন অভিষেক। এরপর শুরু হয় জল্পনা, তাহলে কি শুভ্রাংশু তৃণমূলে ফিরছেন? অভিষেক হাসপাতালে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই তার ২ ঘণ্টা পরই অ্যাপোলো হাসপাতালে হাজির হয়ে যান রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রথম ড্যামেজ কন্ট্রোলের কাজ শুরু করেন তিনিই। বিষয়টা এখানেই থেমে নেই, সূত্রের খবর, এদিন সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুলকে ফোন করেন প্রধানমন্ত্রী। ফোন করে কৃষ্ণার শারীরিক অবস্থার খবর নেন মোদি। সূত্রের খবর, মুকুলের সঙ্গে তাঁর বেশ কিছুক্ষণ কথা হয়। মুকুল পত্নীর কিছু শারীরিক জটিলতার জন্য তাঁকে একমো সাপোর্টে রাখা হয়েছে। ঘটনা হল, সেই অসুস্থতার খবর জেনেও বিজেপির তরফে কোনও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে না।তা নিয়ে ঘনিষ্ঠ মহলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু। এরপরই বাইপাসের ধারের ওই হাসপাতালে পৌঁছন অভিষেক। তারপরে হাজির হন দিলীপও। বৃহস্পতিবার সকালে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ফোন করে খবর নেন কৃষ্ণা রায়ের। কিন্তু এত কিছুর পরেও প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, মুকুল বা শুভ্রাংশু কী থাকবেন বিজেপিতে?




