State

কর্মীদের বিপদে ফেলে বেপাত্তা নেতারা, ফের তথাগতর টুইট বোমা

0
(0)

খবর লাইভ : বিধানসভা ভোটে ‘মুখ থুবড়ে পড়ার’ পরে বঙ্গ বিজেপির অন্দরে যে মুষলযুদ্ধ শুরু হয়েছে, তা থামার নাম গন্ধই নেই। বিধানসভা ভোটে ভরাডুবির পরেই রাজ্য বিজেপির শীর্ষ চার নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়, শিবপ্রকাশ, অরবিন্দ মেনন ও দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছিলেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথাগত রায়। তাঁর সেই বিস্ফোরক অভিযোগে যথেষ্টই অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছিল বিজেপি নেতৃত্বকে। বিতর্কের জল গড়িয়েছিল জে পি নাড্ডা-অমিত শাহের দরবারেও। সেই বিতর্ক থামতে না থামতে ফের চার নেতাকে নিশানা করে টুইট বোমা ছুঁড়লেন ত্রিপুরা-মেঘালয়ের প্রাক্তন রাজ্যপাল।
বুধবার রাতে এক টুইটে রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি লিখেছেন, ‘ঘনিষ্ঠ একজন এসে খুব কান্নাকাটি করছিলেন। তিনি বলছিলেন, বিজেপির হয়ে ভোটে কাজ করা হাজার-হাজার কর্মী তৃণমূল দুষ্কৃতীদের চাপে ঘরছাড়া। অনেকে মোটা অঙ্কের অর্থ জরিমানা দিয়ে বাড়ি ফিরছেন। কাকে তিনি এসব বলবেন? কেননা, রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেএসএ পালিয়ে গিয়েছেন। ডি তো ফোনই ধরছেন না’।
নামের আদ্যাক্ষর দিয়ে যাঁদের নিশানা করেছেন ত্রিপুরার রাজ্যপাল, তাঁরা কারা তা বুঝতে অসুবিধা হয়নি আম জনতার। কেননা, কিছুদিন আগেই ‘কেএসএডি’ আদ্যাক্ষরধারীদের পরিচয় ফাঁস করেছিলেন তথাগত। তাঁর টুইটে স্পষ্ট, ‘ভোটের হারার পরেই হাওয়া হয়ে গিয়েছেন রাজ্য বিজেপির ভারপ্রাপ্ত নেতারা।’
বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর করা টুইট নিয়ে মুখ খুলে রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি বলেন, ‘রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বহু কর্মী ঘরছাড়া। অনেকে আমার কাছে এসেও সাহায্য চাইছেন। কিন্তু আমি কী করব বুঝতে না পেরে অসহায় বোধ করছি। দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে মৌখিকভাবে জানিয়েছি। এবার লিখিতভাবে জানাব।’
দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির টুইট ও মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, ‘সবাই জানেন, সবাই দেখেছেন ভোট পরবর্তী হিংসায় ঘরছাড়া দলীয় কর্মীদের বাড়ি ফেরাতে জেলায়-জেলায় গিয়েছি। ঘরছাড়া কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর সব রকমের চেষ্টা করেছি। জেলা নেতারাও চেষ্টা চালাচ্ছেন। কেউ যদি এসব না দেখতে পান, তাহলে আমার কী বা করার আছে?’

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *