খবর লাইভ : এটিএম হানা কাণ্ডে গ্রাহকদের কিছুটা স্বস্তি দিল লালবাজারের গোয়েন্দারা। গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টের টাকা সুরক্ষিত রয়েছে। তাদের অ্যাকাউন্টে হাত পড়েনি। যে সংস্থা এটিএম রক্ষণাবেক্ষণ করে, তারাই আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।
প্রথমে ভাবা হয়েছিল দুই থেকে তিনটি। কিন্তু জলে নেমে গোয়েন্দারা দেখলেন, জলের গভীরতা অনেক বেশি। কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে অন্তত ৮-১০ টি এটিএম থেকে টাকা ভ্যানিশ করেছে দুষ্কৃতীরা। সব মিলিয়ে ২ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তারা। এমনই বলছেন গোয়েন্দারা। প্রাথমিকভাবে তাদের ধারণা, এটিএম থেকে পরপর এই টাকা লুটের ঘটনায় ফরিদাবাদে অতীতে এমন কাণ্ড ঘটানো কোনও গ্যাং জড়িত। লালবাজারের এক অফিসার বলেন, “আমরা কিছু সূত্র পেয়েছি। খুব শীঘ্রই অভিযুক্তদের ধরা যাবে বলে আশা করছি।” তবে এ ক্ষেত্রে গোয়েন্দারা গ্রাহকদের আশ্বস্ত করে জানিয়েছে, গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টের টাকা সুরক্ষিত রয়েছে। যে সংস্থা এটিএম রক্ষণাবেক্ষণ করে আর্থিকভাবে তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।
গোয়েন্দা সূত্রে খবর, যে বেসরকারি ব্যাঙ্কের বিভিন্ন এটিএম থেকে টাকা গায়েব রয়েছে, সেই ব্যাঙ্ক এটিএম রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পাঁচটি সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ। তার মধ্যে একটি মাত্র সংস্থার এটিএমকে টার্গেট করে প্রতারকরা। ওই এটিএম গুলির কম্পিউটারের সফটওয়্যার পুরনো এবং আপগ্রেড না করাতেই হ্যাকাররা এটিএমের বৈদ্যুতিন সুরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে টাকা লুট করতে পেরেছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।



