খবর লাইভ : মোদি ও শাহের প্রিয় ব্যক্তি হয়েও হল না স্বপ্নপূরণ। সিবিআইয়ের শীর্ষ পদ অর্থাৎ অধিকর্তা পদের দৌড় থেকে পিছিয়ে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ‘ইয়েসম্যান’ হিসেবে পরিচিত রাকেশ আস্থানা ও ওয়াইসি মোদি। তার মধ্যে প্রথমজন মোদি-শাহের খাসতালুক গুজরাত ক্যাডারের আইপিএস ও দ্বিতীয়জন গোধরা গণহত্যা মামলা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্লিনচিট দিয়েছিলেন। আস্থানা বর্তমানে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর এবং ওয়াইসি মোদি এনআইএ’র ডিজি পদের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।
সূত্রের খবর, সোমবার রাতে সিবিআইয়ের শীর্ষ পদে নিয়োগের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয় তাতে যে তিন জনের নাম নিয়ে চর্চা হয়, তাতে আস্থানা ও ওয়াইসির নাম নেই বলেই জানা গিয়েছে। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ডিজি হিতেশ চন্দ্র অবস্তি, সশস্ত্র সীমা বল (এসএসবি)-এর ডিজি রাজেশ চন্দ্রা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বিশেষ সচিব (অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা) ভিএসকে কৌমুদীর নাম রয়েছে। ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৮৭ সালের আইপিএস ক্যাডারদের মধ্যে থেকে ১০০ জনের যে প্রাথমিক তালিকা তৈরি হয়েছিল, তা থেকেই ওই তিনজনের চূড়ান্ত তালিকা তৈরি হয়েছে।
গত ৩ ফেব্রুয়ারি সিবিআইয়ের অধিকর্তার পদ থেকে অবসর নেন মধ্যপ্রদেশ ক্যাডারের আইপিএস ঋষিকুমার শুক্লা। তার পরে সাড়ে তিন মাসের বেশি সময় ধরে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ পদ শূন্যই পড়ে রয়েছে। ১৯৮৮ সালের গুজরাত ক্যাডারের আইপিএস তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত প্রবীণ কুমার সিনহাকে অন্তর্বর্তীকালীন অধিকর্তার দায়িত্বভার দেওয়া হয়। কিন্তু তাঁর ‘বিজেপি বান্ধব’ ভূমিকা নিয়ে ইতিমধ্যেই সমালোচনার ঝড় উঠেছে। পূর্ণ সময়ের সিবিআই অধিকর্তা নিয়োগের দাবি নিয়ে আদালতের দরজায়ও একাধিক ব্যক্তি কড়া নেড়েছেন।



