খবর লাইভ : আম্ফান থেকে শিক্ষা। সেই শিক্ষা থেকেই এবার আগাম প্রস্তুতি সেরে রাখছে কলকাতায় বিদ্যুৎ বন্টনের দায়িত্বপ্রাপ্ত বেসরকারি সংস্থা সিইএসসি। আম্ফানের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যেভাবে অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন সেই ঘটনা যাতে না ঘটে, তার জন্য এবার বেশি সতর্ক থাকছে এই সংস্থাটি।
যশের মোকাবিলা করতে এবার প্রস্তুতির কোনও খামতি রাখছে না সিইএসসি। গতবারের ‘ভুল’ শোধরাতে মরিয়া এই সংস্থা। ইতিমধ্যেই যশের তাণ্ডবে যাতে এক বছর আগেকার ছবিটাই শহরের বুকে ফিরে না আসে তার জন্য যাবতীয় প্রস্তুতির কাজ সেরে রেখেছে সিইএসসি। সোমবারের মধ্যেই সব রকমের প্রস্তুতি সেরে রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে সিইএসসি-র পক্ষ থেকে। এক সাংবাদিক বৈঠক করে সিইএসসি-র ভাইস প্রেসিডেন্ট অভিজিৎ ঘোষ জানান, এই সাইক্লোনের জন্য আমরা সবরকম প্রস্তুতি নিয়েছি। পর্যাপ্ত কর্মীদের তৈরি করে রাখা হয়েছে যাতে সবরকম অবস্থার সমাধান করা যায় তার জন্য। যেখানে যেখানে বিদ্যুতের তার মাটির উপর রয়েছে, সেই জায়গাগুলি যাতে সুরক্ষিত রাখা যায় তার জন্য পুরসভার সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে। কোভিডের মাঝে যাতে করোনা চিকিৎসায় সমস্যা না হয় তার জন্য হাসপাতালে, ভ্যাকসিন সেন্টারে যাতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন না হয় সেদিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।
ইতিমধ্যেই আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়ে দিয়েছে, যশের প্রভাবে কলকাতায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। তাই জমা জলে যাতে কাজ করতে অসুবিধা না হয় অতিরিক্ত ড্রেনেজ পাম্পিং স্টেশনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এবং অতিরিক্ত জেনারেটরের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে। ব্যাকআপের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে সিইএসসি-র পক্ষ থেকে। একই সঙ্গে কন্ট্রোল রুমের ব্যবস্থা করে হেল্পলাইনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। একটি সাধারণ হেল্পলাইন নম্বর সকলের জন্য রয়েছে। তা হল ১৯১২। এ ছাড়াও একটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরও দিয়ে রাখা হয়েছে, ৭৪৩৯০০১৯১২।



