খবর লাইভ : আগামী ২৮ মে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক। ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য অক্সিজেন কনসেনট্রেটর্স আমদানির উপর ১২ শতাংশ শুল্ক নেওয়া হবে কিনা, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। গত সপ্তাহে দিল্লি হাইকোর্ট ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য আমদানিকৃত অক্সিজেন কনসেনট্রেটরসের ওপর ১২ শতাংশ শুল্ক চাপানো কে ‘অসাংবিধানিক’ বলেছিল।
৮৫ বছর বয়স্ক এক করোনা রোগীর আত্মীয় তাঁকে আমেরিকা থেকে অক্সিজেন কনসেনট্রেটর্স পাঠিয়েছিলেন। তার উপর আইজিএসটি চাপানোর বিরুদ্ধে তিনি মামলা করেছিলেন দিল্লি হাইকোর্টে। সেই মামলায় উক্ত মন্তব্য করেছিল আদালত। আদালত কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের একটি বিজ্ঞপ্তিও নাকচ করে দিয়েছিল যাতে বিদেশ থেকে অক্সিজেন কনসেনট্রেটর্স উপহার হিসেবে আমদানির ওপর ১২ শতাংশ শুল্ক চাপানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
শুল্ক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন দিল্লি হাইকোর্টের এই রায়ের ফলে সরকারের শুল্ক আদায় এর উপর খুব বেশি প্রভাব পড়বে না। তাছাড়া ওষুধ, মেডিকেল সরঞ্জাম, ভ্যাকসিন ইত্যাদির উপর এই অতিমারীর সময় কর বা শুল্ক চাপানো দেশের মৌলিক নীতি বিরোধী। জীবনদায়ী ওষুধ পত্র এবং সরঞ্জাম অতিমারির সময় যদি শুল্ক বন্ধ হয়, তাহলে সরকারের খুব বেশি আর্থিক লোকসান হবে না। তবে এটা মানবিক কারণেই করা উচিত।
জিএসটি কাউন্সিল তাদের ২৮ মে বৈঠকে কোভিড নিয়ন্ত্রণের এবং চিকিৎসার কাজে লাগে এমন সব সরঞ্জাম এর উপর কর ছাড়ের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এই বৈঠকে রাজ্যগুলির ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত বিষয়েও আলোচনা হবে বলে জানানো হয়েছে।



