খবর লাইভ : ফের যোগী রাজ্যে গণধর্ষণের ঘটনা। সোনভদ্র জেলার মোটাকিপাহাড়ি টিলায় প্রেমিকের সঙ্গে পুজো দিতে যাচ্ছিলেন এক তরুণী। অভিযোগ সেই সময়ই মেয়েটির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনজন কাঠুরে। তারা মেয়েটিকে টানতে টানতে জঙ্গলের ভেতরে নিয়ে যায়। প্রেমিককে গাছে বেঁধে তিনজন মিলে ওই তরুণীকে ‘ধর্ষণ করে’। পরিবারের তরফে বীজপুর থানায় অভিযোগের ভিত্তিতে তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এই ঘটনাকে নিয়ে সরব হয়েছে বিরোধীরা। সমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজ পার্টি, কংগ্রেস সব দলই রাজ্যের ভঙ্গুর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নারী নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। উত্তরপ্রদেশে কেন মেয়েরা নিরাপদ নয়? উঠেছে সেই প্রশ্নও। পুলিশের দাবি, তারা ঠিক পথেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। নির্যাতিতাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্যও পাঠানো হয়েছে।
উন্নাও, হাথরসের মতো ঘটনা এখনো দেশবাসীর স্মৃতিতে টাটকা। হাথরসের ঘটনা আন্তর্জাতিক পত্রিকাতেও স্থান করে নিয়েছিল। প্রত্যেক বারের মতো এবারেও ঘটনা নিয়ে টু শব্দ করেননি মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। নারী সুরক্ষা নিয়ে তার মুখে একটি শব্দও শোনা যায়নি। অথচ যোগী যখন বাংলায় নির্বাচনী প্রচারে আসতেন, তখন তিনি বরাবরই উত্তরপ্রদেশের অতি মজবুত আইন শৃঙ্খলা ও নারী নিরাপত্তা কথা তুলে ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার সরকারকে দোষারোপ করতেন। কিন্তু নিজের রাজ্যের দিকে তাকানোর সময় নেই!
প্রতিবছর অপরাধের যে তথ্য প্রকাশ করে কেন্দ্র, সেই এনসিআরবি- র ডেটাতে দেখা গেছে, নারীর সঙ্গে অপরাধে পয়লা নম্বরে রাম রাজ্য। ২০১৭ ও ২০১৮ র তথ্য বলছে উত্তরপ্রদেশে মহিলাদের সঙ্গে অপরাধের মামলা ৬০ হাজারের বেশি। এতকিছুর পরও যোগী আদিত্যনাথ এর দাবি, সমাজবাদী পার্টির জমানায় যে পরিমাণ অপরাধ হতো, তার থেকে এখন অনেকটাই কমেছে।




