খবর লাইভ : আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের কবরস্থানে এখন জায়গার অভাব নতুন মৃতদেহের জন্য। সেই জন্য পুরনো কবরের থেকে মাটি খুঁড়ে কবরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ আলিগড় নিয়ে অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন কিন্তু এই মহামারী পরিস্থিতিতে কোনও সরকারি সাহায্য পাওয়া যাচ্ছেনা।
এই কবরস্থানটি আকারে ছোট এবং সারা বছরে যত কবর হয়ে থাকে গত এক মাসে তার থেকে বেশি লাশ এসেছে এখানে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান মিলিয়ে ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এই কয়দিনে। উল্লেখ্য আলিগড়ে করোনার জীবাণুর সংক্রমণ ও মারণক্ষমতা অন্য স্থানের থেকে আলাদা। এমনটাই মনে করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।
আলিগড়ের এক অধ্যাপক জানান মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যানের মৃত্যু হয়েছে এটা অপূরণীয় ক্ষতি। আলিগড় কখনও এই ধরনের গণমৃত্যু কখনও দেখেনি। কখনও কয়েক জনের কবর একসঙ্গে করতে হচ্ছে। এখানকার জহরলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হয়েছে ভালভাবেই কিন্তু এবার আশেপাশের চারটি জেলা থেকে আক্রান্তদের দেহ আসায় পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
অভিযোগ উঠেছে, উত্তর প্রদেশ প্রশাসনও এদিকে সঠিক নজর দিতে পারছে না। ফলে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে আলিগড় জুড়ে। গত ২০ দিনে ১৬ জন অধ্যাপকের মৃত্যুতে শোক ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে।




