State

‘জিএসটির বৈঠক ডাকুন’, দায়িত্ব নিয়েই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে চিঠি অমিতের

0
(0)

খবর লাইভ : এবার তিনি নির্বাচনে লড়েননি। তবুও অর্থ দফতরের দায়িত্ব তাঁর হাতেই ছেড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ আর তাই দায়িত্ব নিয়েই কাজে নেমে পড়েছেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র৷ বৃহস্পতিবার তিনি জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক ডাকার দাবি জানালেন ৷ এদিন চিঠি দিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সমালোচনা করেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী।
অমিতের চিঠির মূল বিষয় ছিল, জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক। তিনি লিখেছেন, প্রত্যেক তিন মাসে একবার জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক ডাকার কথা থাকলেও, গত ছয় মাসে একটিও বৈঠক ডাকা হয়নি। এমনকি ভার্চুয়াল মাধ্যমেও এই বৈঠক আয়োজনের চেষ্টা করা হয়নি। এটা একটা ফেডারেল ইনস্টিটিউশনের জন্য দুঃখের। শেষ বার বৈঠক হয়েছিল গত বছরের অক্টোবরে। তারপর থেকে আর জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক হয়নি।
অমিতের দাবি, নিয়মমাফিক তিন মাস অন্তর জিএসটি কাউন্সিলের একটি করে বৈঠক হওয়ার কথা। কিন্তু গত বছর থেকে এখনও পর্যন্ত দু’বার এই নিয়ম লঙ্ঘিত হয়েছে। চিঠিতে বাংলার অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২০২০-র ৫ অক্টোবর শেষ এই বৈঠক হয়েছিল। তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত জিএসটি কাউন্সিলের কোনও বৈঠক হয়নি। এই ঘটনাকে যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোর পরিপন্থী বলেই দাবি করেছেন তিনি। অবিলম্বে জিএসটি কাউন্সিলের ভার্চুয়াল বৈঠক ডাকার অনুরোধ করেছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী। কোভিডের কারণে দেশ জুড়ে গত বছরের লকডাউনে অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে গিয়েছে বলেই অর্থনীতিবিদদের একাংশের মত। কেন্দ্রীয় সরকারের পাশাপাশি রাজ্য সরকারগুলিও আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। বাংলার অর্থমন্ত্রী তাঁর চিঠিতে লিখেছেন, সংবিধানের ২৭৯এ এবং ২৭৯এ (৮) অনুচ্ছেদ মেনেই এই বৈঠক ডাকা উচিত। পাশাপাশি, ‘প্রসিডিওর অ্যান্ড কনডাক্ট অব রেগুলেশন অব দ্য গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্স কাউন্সিল’-এর ৬ নম্বর অনুচ্ছেদের কথা মেনে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে জিএসটি কাউন্সিল পরিচালনার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
আগামী জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে কোন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত, তারও পরামর্শ দিয়েছেন বাংলার অর্থমন্ত্রী। চিঠির শেষাংশে তিনি উল্লেখ করেছেন, রাজ্যগুলির উদ্বেগজনক আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে অবশ্যই আলোচনা হওয়া উচিত। তিনি আরও লিখেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার কোভিড সংক্রমণের সময় ১ লক্ষ ৫৬ হাজার ১৬৪ কোটি টাকার আর্থিক ঘাটতির অনুমান করেছিল। কিন্তু করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ে সেই ঘাটতির পরিমাণ আরও বেড়ে গিয়েছে। এই বিষয়টিকে ‘অতি উদ্বেগজনক’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি। তাই দ্রুত পরিস্থিতি পর্যালোচনার দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *