খবর লাইভ : বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত ইঞ্জিনিয়ার ঋষভ মণ্ডলের পরিবার কলকাতা পুরসভার ক্ষতিপূরণ না নেওয়ার কথা জানিয়ে দিল। বুধবার দুপুরে নিহত ঋষভের দিদি বিজেতা মণ্ডল পালিত বলেন, ‘আমরা কোনও ক্ষতিপূরণ চাই না। ক্ষতিপূরণ দিয়ে কি আমার ভাইকে হারানোর যে কষ্ট, সেটা কমানো যাবে? যারা ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে তাদের বলছি, ওই ক্ষতিপূরণের টাকা দিয়ে পরিকাঠামো ঠিক করুক। আর যারা ঘটনার জন্য দায়ী তাদের উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হোক।’ এদিনই মৃত ইঞ্জিনিয়ারের ভগ্নীপতি কেশবচন্দ্র পালিত হেয়ার স্ট্রিট থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।
মঙ্গলবার শহরজুড়ে বেনজির তাণ্ডব চালিয়েছিল বৃষ্টি। নাজেহাল হয়েছিল শহরবাসী। সন্ধে নাগাদ রাজভবনের সামনে বাইক নিয়ে যাওয়ার সময় বিদ্যুতের তারে পা লেগে রাস্তায় ছিটকে পরেন ফরাক্কার বাসিন্দা ও হিন্দুস্থান পেট্রোলিয়ামের ওই ইঞ্জিনিয়ার ঋষভ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। বেশ কিছুক্ষণ জলের মধ্যেই ভাসতে থাকে তাঁর মৃতদেহ। ঋষভ ছিলেন পরিবারের একমাত্র ছেলে। সদ্যই চাকরি পেয়েছিলেন। কর্মসূত্রে থাকতেন কলকাতায়। এদিন ফরাক্কা থেকে কলকাতায় ছুটে এসেছিলেন নিহত ইঞ্জিনিয়ারের পরিবারের সদস্যরা।
শ্যালকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের করার পরেই ক্ষোভ উগরে দেন ঋষভের জামাইবাবু কেশবচন্দ্র পালিত। তিনি বলেন, ‘ঋষভের মৃত্যুর ঘটনায় অবশ্যই সিইএসসির গাফিলতি রয়েছে। প্রবল বৃষ্টির সময়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া উচিত ছিল সংস্থার। এই প্রথম এই ধরনের ঘটনা ঘটল না। অতীতেও বেশ কয়েকবার একই ঘটনা ঘটেছে। বার বার গাফিলতি করে কীসের জোরে পার পেয়ে যাচ্ছেন সিইএসসির আধিকারিকরা? রাজ্য সরকারের উচিত এবার কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া। যাতে ভবিষ্যতে আর কাউকে এভাবে অকালে প্রাণ হারাতে না হয়।’




