খবর লাইভ : করোনা প্রতিরোধে প্রথম প্রতিষেধক আনার পর এবার এই রোগের চিকিৎসায় দুটি ‘অ্যান্টি- ভাইরাল’ ওষুধ নিয়ে কাজ করছে মার্কিন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ফাইজার। তার মধ্যে একটি মুখে গ্রহণের ওষুধ। অপরটি ইনজেকশনের মাধ্যমে গ্রহণের ওষুধ। করোনার চিকিৎসায় মুখে গ্রহণের ওষুধটি এবছরের শেষে বা আগামী বছরের শুরুতেই বাজারে আসতে পারে। ফাইজারের সিইও আলবার্ট বোরলা একথা জানিয়েছেন। আমেরিকান কোম্পানি ফাইজার ও জার্মান প্রতিষ্ঠান বায়োএনটেক যৌথভাবে করোনা ভাইরাসের টিকা তৈরি করেছে। ভারতসহ বিভিন্ন দেশে এই টিকার ব্যবহার হচ্ছে৷
এখন ফাইজার করোনার চিকিৎসায় ‘অ্যান্টি-ভাইরাল’ ওষুধ নিয়ে কাজ করছে। এ সম্পর্কে ফাইজারের সিইও আলবার্ট বোরলা বলেন, আমরা আসলে দুটি ওষুধ নিয়ে কাজ করছি। একটি ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়ার ওষুধ। অন্যটি মুখে গ্রহণের ওষুধ। দুটি অ্যান্টি-ভাইরালের মধ্যে মুখে খাওয়ার ওষুধটির প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান বোরলা। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, মুখে খাওয়ার ওষুধের একাধিক সুবিধা রয়েছে। তার মধ্যে একটি সুবিধা হল, এই ওষুধ গ্রহণের জন্য রোগীকে হাসপাতালে যেতে হবে না। ঘরে বসেই ওষুধটি খাওয়া যাবে। আলবার্ট বোরলা বলেন, সবকিছু ঠিকঠাকভাবে এগোলে তাঁরা এখন যে গতিতে কাজ করছেন, সেই একই গতিতে তাঁরা ওষুধটি তৈরির কাজ শেষ করবেন। তাঁর আশা, এ বছরের শেষ নাগাদ ওষুধটি তৈরি হয়ে যাবে।




