খবর লাইভ : করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে দেশে। এবারে করোনার নতুন স্ট্রেন আগের চেয়ে আরও বিপজ্জনক। অথচ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় জমায়েতে রাশ টানছে না সরকার। কুম্ভ মেলায় লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর ভিড় দেখল গোটা দেশ। সেখানে কোনওরকম করোনাবিধি মানা হয়নি। বহু সাধু আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়। এমন পরিস্থিতিতে আবার বিপুল জনসমাগমের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সামনেই চারধাম যাত্রা। এই যাত্রায় যোগ দেবে হাজার হাজার মানুষ। চারধাম যাত্রা যাতে আরও একটা কুম্ভে পরিণত না হয় সে জন্য উত্তরাখণ্ড সরকারকে আগাম সতর্ক করল উত্তরাখণ্ড হাইকোর্ট। সরকারকে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতিগত নথি প্রকাশ করতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
অতিমারী মোকাবিলায় সরকারের ভূমিকা নিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলার ভার্চুয়াল শুনানি হয় মঙ্গলবার। সেই শুনানিতে মুখ্য বিচারপতি আর এস চৌহান ও বিচারপতি অলোক কুমার বর্মা এমনই নির্দেশ দিয়েছেন। চারধাম যাত্রা শুরু হতে চলেছে ১৪ মে থেকে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে কোভিড টেস্ট করতে পারে এমন মোবাইল ভ্যান পাঠাতে এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের পর্যাপ্ত পিপিই কিট ও অন্যান্য নিরাপত্তামূলক উপকরণ সহ কোভিড হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা বাড়াতে রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সাময়িক হাসপাতাল নির্মাণের জন্য কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলির সাহায্য নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। সরকারি হাসপাতালে সিটি স্ক্যান যন্ত্র ও বেসরকারি হাসপাতালে বিপিএল কার্ডধারীদের জন্য ২৫ শতাংশ শয্যা সংরক্ষিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। রাজ্যে পর্যাপ্ত রেমডিসিভির ইঞ্জেকশন রয়েছে কিনা সে বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য ও অর্থ দফতরের সেক্রেটারি অমিত নেগিকে এই বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে বলেছে উত্তরাখণ্ড হাইকোর্ট। পরবর্তী শুনানি ১০ মে। কিন্তু প্রশ্ন হল, করোনা ক্রান্তিকালে এমন জমায়েত কি দেশকে আরও বিপদের দিকে ঠেলে দেবে না? কুম্ভে কেউ মাস্ক ব্যবহার করেনি, সামাজিক দূরত্ববিধি শিকেয় উঠেছিল। অনেকের প্রশ্ন, চারধাম যাত্রা কি দ্বিতীয় কুম্ভ হয়ে উঠতে চলেছে?



