খবর লাইভ : নাগপুর বিমানবন্দরে সৌরভের সঙ্গে দেখা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদের। একাধিক বিষয়ে তাঁদের কথা হয়েছে বলে খবর। কিন্তু পুরোটা ভেঙে বলতে রাজি হননি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।
রাজনীতির আঙিনায় সৌরভ আনুষ্ঠানিক ভাবে পা রাখবেন কি না, তা নিয়ে রাজ্যবাসী তো বটেই, সম্ভবত দেশবাসীরও কৌতূহলের সীমা নেই। ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের আগে সৌরভের রাজনীতিতে যোগদানের জল্পনা দানা বেঁধেছিল। বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে সৌরভের বিজেপিতে যোগের গুঞ্জন ঘিরে সরগরম ছিল রাজ্য রাজনীতি। কিন্তু সেই জল্পনায় জল ঢেলে দিয়েছিলেন সৌরভই। রাজনীতিতে তিনি ‘আপাতত’ যোগ দিচ্ছেন না, সে কথা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন মহারাজ।
আরও পড়ুনঃ কে হবেন কংগ্রেস সভাপতি ? মনোনয়নপত্র তুললেন শশী থারুর
কিন্তু সৌরভ তখনকার মতো রাজনীতি ছেড়ে এলেও রাজনীতি তাঁকে ছাড়ে না! যখনই তাঁর সঙ্গে কোনও ওজনদার রাজনৈতিক নেতা বা নেত্রীর সাক্ষাৎ বা কথা হয়, তখনই আবার সৌরভের রাজনীতিতে যোগদানের জল্পনা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। সে তাঁর বাড়িতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহই নৈশভোজে যান বা সৌজন্য সাক্ষাৎকার করতে যান বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনিতে মমতার সঙ্গে সৌরভের সম্পর্ক অত্যন্ত ভাল। কিন্তু পাশাপাশিই এমনও শোনা গিয়েছিল যে, সমস্ত হিসেব উল্টে দিয়ে সৌরভের বিসিসিআই সভাপতি হওয়ার পিছনে ‘অমিত-শক্তি’ কাজ করেছিল। ঘটনাচক্রে, বোর্ডে সৌরভের ‘ডেপুটি’ অমিতের পুত্র জয় শাহ।
রবিবারেই রাজ্য দফতর খুলতে চাইছে আম আদমি পার্টি
সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে, আগামী তিন বছর সৌরভ-জয়ের বোর্ডের পদে থাকতে বাধা নেই। তবে কী হবে, তা নির্বাচনেই ঠিক হবে। ক্রিকেটমহলের জল্পনায় শোনা যাচ্ছে, সৌরভ আইসিসি চেয়্যারম্যান হবেন। জয় হবেন বোর্ড সভাপতি। তবে তার পিছনেও যে জাতীয় স্তরের রাজনীতির অঙ্ক থাকবে, তা স্পষ্ট। সেই কারণেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে সৌরভের দেখা হওয়ার ঘটনা বাড়তি মাত্রা পেয়ে যাচ্ছে।
সম্প্রতি রেড রোডে পুজোর উৎসবেও মমতার সঙ্গে এক মঞ্চে ছিলেন সৌরভ। তার পরে এই শান্তনু-সাক্ষাৎ। তবে নাগপুরের ওই সাক্ষাৎ নেহাতই ‘ঘটনাচক্র’ বলে দাবি করা হয়েছে। যদিও কেউ কেউ প্রশ্ন করছেন, জাহাজ দফতরের প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌরভের ‘বাংলার খেলার উন্নতি’ নিয়ে কী আলোচনা হতে পারে!




