খবর লাইভ : করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় মহারাষ্ট্র সরকার। প্রয়োজন মতো কেন্দ্রীয় সহযোগিতা না পেয়ে ক্ষুব্ধ এখানকার শিবসেনা জোট সরকার। আর সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখা যাচ্ছে এক শিবসেনা বিধায়কের গলায়। করোনা ভাইরাস যদি হাতের মুঠোয় ধরা যেত তাহলে দেবেন্দ্র ফড়নবীশের মুখে পুরে দিতাম বলে নিজের সোশাল মিডিয়ায় মন্তব্য করেছেন শিবসেনা বিধায়ক সঞ্জয় গায়কোয়াড়। এই মন্তব্য ভাইরাল হয়ে যায় সোশাল মিডিয়ায়। পরে ছড়িয়ে পড়ে রাজনৈতিক মহলেও।
শিবসেনা বিধায়কের এই গোসার পিছনে কারণ কী? মহারাষ্ট্র বিশেষ করে মুম্বাই ও পুনের করোনা পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক। মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে করোনার ওষুধ রেমডিসেভির ও অক্সিজেন ঘাটতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাহায্য চেয়ে ফোন করেছিলেন। সেই সময় তাঁকে বলা হয় এখন কথা হবে না, মোদি পশ্চিমবঙ্গের ভোট প্রচারে ব্যস্ত রয়েছেন। ফলে ক্ষোভ বাড়তে থাকে । আর এই সময় মহারাষ্ট্র সরকার নিজেদের উদ্যোগে দমনের এক ফার্মা কোম্পানির দ্বারস্থ হয়। কেন্দ্র শাসিত দমনের ওই কোম্পানির কাছে ৬০ হাজার রেমডিসিভির ইনজেকশন মজুদ রয়েছে। এই ইনজেকশন করোনায় কিছুটা কাজ দিচ্ছ। ওষুধ সরবরাহকারী সংস্থা বিদেশে না পাঠিয়ে দেশের কাজে লাগাতে চায়। কিন্তু মহারাষ্ট্র বিজেপি গোপনে দমনের ওই কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করে। এমনকি কোম্পানির অফিসারকে মহারাষ্ট্র পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করায় উদ্ধব সরকারের সমালোচনা করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ। তারপরই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিবসেনা বিধায়ক সঞ্জয় গায়কোয়াড়।
মহারাষ্ট্র সরকার মনে করছে এই করোনা মহামারী পরিস্থিতিতে মোদি সরকার প্রয়োজনীয় সাহায্য করছে না। হাসপাতালে বেড নেই, অক্সিজেন নেই, ইনজেকশন নেই , একটা হাহাকার অবস্থা, আর এই সময় বিজেপি স্বার্থ নিয়ে ভাবছে। ফলে কেন্দ্র তথা বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। এমনকি বিজেপি শাসিত রাজ্যের মানুষরা এবং কোথাও বিজেপি নেতারাও কেন্দ্রর বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন।




