খবর লাইভ :
করোনা ভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় অভিঘাতের ফলে বিনিয়োগকারী ও উপভোক্তাদের বিষয়ে ‘বৃহত্তর অনিশ্চয়তা’র জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে দেশকে এবং প্রয়োজন হলে রাজস্ব-বিষয়ক পদক্ষেপ নেবে সরকার। এমনটাই জানালেন নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান রাজীব কুমার। করোনার যখন প্রথম প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল গত বছর তার চেয়ে বর্তমান পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়েছে তা স্বীকার করেও তিনি আশাবাদী যে, ২০২২ সালের ৩১ মার্চ অর্থবর্ষে দেশের অর্থনীতি বৃদ্ধি পাবে ১১ শতাংশ। কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা উত্তরোত্তর বাড়ায় ভারত এখন বেসামাল। মৃত্যুর হারও আবার বেড়েছে। অনেক রাজ্য মানুষের চলাফেরার উপর নানা নিষেধাজ্ঞা জারি করছে। তবে কুমারের মতে, করোনাকে হারানোর মুখেই ছিল ভারত, কিন্তু ব্রিটেন ও অন্যান্য দেশ থেকে আসা নয়া স্ট্রেনের ফলে এইবার পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।
পরিষেবা ক্ষেত্রের মতো সেক্টরে সরাসরি প্রভাব পড়া ছাড়াও দেশের অর্থনৈতিক অবস্থায় অনিশ্চয়তা বাড়াবে করোনার এই দ্বিতীয় ঢেউ এবং এর ফলে অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপের ওপর পরোক্ষ প্রভাব পড়তে পারে। তার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এমনটাই মনে করেন রাজীব কুমার। সরকার এই বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে কিনা জিজ্ঞাসা করা হলে নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান জানান, কোভিডের দ্বিতীয় তরঙ্গের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব নিয়ে অর্থমন্ত্রীর বিচার-বিশ্লেষণের পরই এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সম্ভব। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার ক্রমবিস্তারী নীতির প্রশংসা করেন তিনি। এ মাসের শুরুতে বেঞ্চমার্ক সুদ ৪ শতাংশই রেখেছে আরবিআই। বদল করেনি, কিন্তু অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে নির্দিষ্ট অবস্থান বজায় রেখেছে।
২০২০ সালে কেন্দ্র সরকার অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে ‘আত্মনির্ভর ভারতে’র ঘোষণা করেছিল এবং ২৭.১ লক্ষ কোটি টাকার কাছাকাছি অর্থ ঢালার পরিকল্পনা করেছিল যা দেশের জিডিপির ১৩ শতাংশেরও বেশি। চলতি অর্থবর্ষে জিডিপি বৃদ্ধির প্রসঙ্গে কুমার বলেন, অনেকের অনুমান থেকে উঠে আসছে যে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি হবে ১১ শতাংশের আশেপাশে। সরকারি আধিকারিকদের অনুমান অনুযায়ী, ২০২০-২১ সালে দেশের অর্থনীতি ছোঁয়ার কথা ৮ শতাংশ।




